দলের বাইরে কথা ব'লে ওস্তাদ! দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে কাকে কাকে হুঁশিয়ারি ফিরহাদের
রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে (sadhan pandey) হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতন সাধারণ সম্পাদক তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (firhad hakim)। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে তিনি বলেছেন,
রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে (sadhan pandey) হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতন সাধারণ সম্পাদক তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (firhad hakim)। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে তিনি বলেছেন, যদি ওনার কোনও বক্তব্য থাকে, তাহলে তিনি যেন তা দলের অন্দরেই জানান।

ফের বেসুরো সাধন
ফের বেসুরো সাধন পাণ্ডে। তৃণমূল কংগ্রেসের ২৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবসে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র মানিকতলায় এক কর্মসূচিতে গিয়ে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী অভিযোগ করেন, দলের অনেক পদে ও দায়িত্বে অনেক খারাপ লোক বসে আছেন। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের ভালর জন্যই এইসব খারাপ লোকেদের এখনই দল থেকে বাদ দেওয়ারও সওয়াল করেন তিনি।

ফিরহাদ হাকিমের হুঁশিয়ারি
এব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, যদি সাধনদার কোনও বক্তব্য থেকে থাকে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই যেন জানান। তিনি সংবাদ মাধ্যমে ভাল, খারাপ জানানো নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভাল খারাপ বিচার করার মালবিক একমাত্র তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। সাধন পাণ্ডের মন্তব্য যে দল হাল্কা ভাবে নিচ্ছে না, তাও জানিয়েছেন তিনি। এব্যাপারে তিনি কার্যত হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। দলের মধ্যে সকলর বেসুরোদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, যাঁরাই এই রকমের কাজ করছেন, তাঁদের উচিত দলের ভিতরে সব কিছু বলা। দলের বাইরে বলে ওস্তাদ হওয়ার দরকার নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি বলেন, সংবাদ মাধ্যমে কিছু বললে, তারা তা বড় করে দেখায়। তাতে তৃণমূলের ক্ষতি হয়, দলের ভাবমূর্তিতে প্রভাব পড়ে।

গত কয়েক মাস ধরেই সরব সাধন
প্রসঙ্গত শুধু দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনেই নয়, গত কয়েকমাস ধরেই সরব সাধন পাণ্ডে। কোনও সময় বেলেঘাটার বিধায়ক পরেশ পাল আবার কখনও মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নিয়ে নানা মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে সাধন পাণ্ডেকে। এছাড়াও দুয়ারে সরকার কর্মসূচি চলাকালীন তিনি সরকারি কর্মসূচি ভণ্ডুল করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। আম্ফানের পর তিনি বলেছিলেন, আগে থেকে সতর্ক করা সত্ত্বেও ব্যবস্থা নিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল পুরসভা। আম্ফানের পরিস্থিতি সামলাতে মেয়র কেন পুরনো মেয়রের সঙ্গে আলোচনা করলেন না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। একটা সময়ে কলেজে ভর্তিতে দুর্নীতির অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন।

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সম্পর্ক
সাধন পাণ্ডের মুখো শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা শোনা গিয়েছে। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী নাম না করে বলেছেন, উত্তর কলকাতাকে তিনি ( শুভেন্দু) বলবেন, সঙ্গ দিন। তাঁর (শুভেন্দু) কথায় উত্তর কলকাতা বাটখারা মন্ত্রী পেয়েছে। অনেকেই বলছেন, সাধন পাণ্ডের বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।












Click it and Unblock the Notifications