মহেশতলাতে রাসায়ানিক কারখানাতে বিধ্বংসী আগুন, একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ
মহেশতলাতে রাসায়ানিক কারখানাতে বিধ্বংসী আগুন। কালো ধোঁয়াতে ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। কারখানার মধ্যে দিয়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকাতে।
মহেশতলাতে রাসায়ানিক কারখানাতে বিধ্বংসী আগুন। কালো ধোঁয়াতে ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। কারখানার মধ্যে দিয়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকাতে। মহেশতলার শিল্পতালুকে এই ভয়াবহ অগিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে আশেপাশের এলাকাতে ছড়িয়ে পড়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তাই নয়, শিল্প তালুক হওয়াতে আশেপাশে বহু কারখানা রয়েছে। সেই সমস্ত কারখানাগুলিতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে একাধিক দমকলের ইঞ্জিন।
যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এলাকা ঘিঞ্জি হওয়াতে আগুন নেভাতে রীতিমত বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। তবে রাসায়ানিক কারাখানা হওয়াতে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ রাখা আছে সেখানে। এমনটাই প্রাথমিক অনুমান দমকল আধিকারিকদের।
শুধু তাই নয়, একাধিক সিলিন্ডারও রাখা থাকতে পারে বলে অনুমান। আর সেখান থেকেই একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসছে বলে অনুমান। তবে এই বিধ্বংসী আগুন লাগার ঘটনাতে এখনও পর্যন্ত পাঁচজন গুরুতর আহত বলে জানা যাচ্ছে।
তবে ি কারখানার মধ্যে ঘটনার সময় কেউ আটকে পড়ে কিনা জানা যায়নি এখনও। আগুনের তীব্রতার কারণে ভিতরে ঢোকা যাচ্ছে না। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। তবে কি কারণে এই ভয়াবহ এই আগুন লাগল তা জানা যায়নি।
তবে শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেই এই বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হবে। এমনকি কারখানাতে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।












Click it and Unblock the Notifications