ত্রিপল চুরির অভিযোগে শুভেন্দু অধিকারী এবং সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
একাধিক ইস্যুতে শাসকদলকে আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু। এমনকি এবার বিধানসভা নির্বাচনের রেশণ, ত্রাণ কেলেঙ্কারিকে ইস্যু করে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বিজেপি। এবার খোদ ত্রিপল চুরির অভিযোগ নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধ
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই আম্ফান দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে শাসকদলকে আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু। এমনকি এবার বিধানসভা নির্বাচনের রেশণ, ত্রাণ কেলেঙ্কারিকে ইস্যু করে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বিজেপি। এবার খোদ ত্রিপল চুরির অভিযোগ নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে।

শুধু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নয়, ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও মারাত্মক এই অভিযোগ। আর এই অভিযোগে এফআইআর হল কাঁথি থানায়। শুভেন্দু ও সৌমেন্দুর নামে কাঁথি থানায় এফআইআর দায়ের করেন পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য রত্নদীপ। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, তদন্তের প্রয়োজনে শুভেন্দু এবং সৌমেন্দুকে তলব করতে পারে পুলিশ। দুই বিজেপি নেতা ছাড়াও, ওই এফআইআরে নাম রয়েছে পুরকর্মী ও এক নাইট গার্ডের। এনিয়ে অবশ্য কোনও কথা বলতে চাননি সৌমেন্দু অধিকারী।
অভিযোগ, শনিবার দুপুর একটা নাগাদ সেন্ট্রাল ফোর্সের উপস্থিতিতে কাঁথি পুরসভার পুরনো বিল্ডিং ডরমেটরি মাঠ সংলগ্ন পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল বার করতে দেখেন পুরসভায় কাজ করতে আসা স্থানীয় এক যুবক। এর পরেই কাঁথি পুরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত বর্তমান চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মাইতিকে খবর দেন ওই যুবক।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান কাঁথি পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য-সহ পুর প্রশাসক সিদ্ধার্থ মাইতি। শুভেন্দু অধিকারী প্রভাব খাটিয়ে এই ধরনের ঘটনা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এরপর, পুর প্রশাসক মণ্ডলীর দুই সদস্য হাবিবুর রহমান ও রত্নদীপ মান্না এবং কাঁথি শহর তৃণমূল কংগ্রেস সম্পাদক বিশ্বজিৎ মাইতি ও কাঁথি শহর যুব তৃণমূল নেতৃত্ব সুরজিৎ নায়কের গোডাউনে দায়িত্বে থাকা পুরসভার কর্মচারী হিমাংশু মান্নাকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে খবর। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর কিছু ব্যক্তিগত ত্রিপল পুরসভার গোডাউনে জমা ছিল।
সেই সমস্ত ত্রিপল নিতেই নাকি তিনি এসেছিলেন। কিন্তু ওই ত্রিপলগুলিতে সরকারি লোগো রয়েছে বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য পুরসভার কর্মী হিমাংশু মান্না অধিকারী পরিবারের ঘনিষ্ঠ এবং নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর একসময়ের কনফিডেনশিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন।
কিন্তু পুরসভার চেয়ারম্যানের অনুমতি ছাড়া এইভাবে ত্রাণের ত্রিপল বের করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য হাবিবুর রহমান। আর এরপরেই প্রথমে একটি জেনারেল ডায়রি হয়। এরপর সেটিকে এফআইআর হিসাবে গণ্য করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, এই প্রসঙ্গে শিশির অধিকারী জানিয়েছেন, ইচ্ছাকৃত ভাবে ছেলেদের ফাঁসাতে ত্রিপুল চুরির অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। আসল সত্যি খুব শিঘ্রই সামনে আসবে বলে দাবি তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications