অবশেষে পুলিশের হাতে চার নকল আয়কর অফিসার, ঠিকানা শ্রীঘর
নকল আয়কর অফিসার সেজে লুটপাট করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পালিয়ে আর বাঁচা গেল না। শেপর্যন্ত পুলিশের হাতেই পড়তে হল ওই নকল আয়কর অফিসারদের৷ এবার ঠিকানা শ্রীঘর। শ্রীরামপুরে একটি সোনা গলানোর দোকানে হানা দিয়েছিল তারা।
মঙ্গলবার রাতে শ্রীরামপুর কুমিরজলা রোডে একটি সোনা গলানোর দোকানে দু:সাহসিক চুরি হয়েছিল। আয়কর অফিসার সেজে হানা দেয় কয়েকজন। জনা চারেক ব্যক্তি হানা দিয়েছিল ওই সোনা গলানোর দোকানে। ওই এলাকার কয়েকটি দোকানে সোনার বাট গলানোর কাজ হয়।

অন্যান্য সোনার দোকান থেকে সেইসব বাট পাঠানো হয়। ওই বাট গলানো হয় সেখানে। তারই একটি দোকানে হানা দিয়েছিল ওই চার জন। ওই দোকান মালিক মহারাষ্ট্রের যুবক অজয়। তারা যাওয়ার সময় অজয়কে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। দিল্লি রোডের কাছে নামিয়ে দেয়। আয়কর অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
পরে জানা গিয়েছিল তারা ভুয়ো। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, ওই দোকান থেকে সোনা ও নগদ আড়াই লক্ষ টাকা লুটপাট করেছিল ওই চারজন। দোকানদারকে গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে দিল্লি রোডে ছেড়ে দিয়ে চম্পট দেয়।
শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে থাকে। চলাচলের রাস্তায় নকল আয়কর হানায় ব্যবহৃত গাড়িটি চিহ্নিত হয়। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ বুধবার হাওড়ার গোলাবাড়ি থানা এলাকা থেকে ওই গাড়িটিকে আটক করে।
তদন্তে পুলিশ ওই গাড়ির ও তার চালককে আটক করে। চালককে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হয়। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা। জেরার মুখে বলে দেয় ওই ব্যক্তি। অভিযুক্তদের খোঁজে বেরিয়ে যায় পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার কসবা থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তরা হল সাগর কাপ্তে, প্রশান্ত মুলিক, দাত্তা বাঙেল, চেতন প্রকাশ। আরও এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। ধৃতদের এদিন শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করা হয়। আপাতত ভুয়ো আয়কর তদন্তকারীদের ঠিকানা শ্রীঘর।












Click it and Unblock the Notifications