প্রয়াত পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, দক্ষিণ কলকাতায় নিজের বাড়িতে মৃত্যু
প্রয়াত কবি, চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত (buddhadeb dasgupta)। এদিন সকালে দক্ষিণ কলকাতায় নিজের বাসভবনে প্রয়াত হয়েছেন। গত বেশ কয়েকমাস ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। কিডনির অসুখে ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
প্রয়াত কবি, চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত (buddhadeb dasgupta)। এদিন সকালে দক্ষিণ কলকাতায় নিজের বাসভবনে প্রয়াত হয়েছেন। গত বেশ কয়েকমাস ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। কিডনির অসুখে ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন এবং ঋত্বিক ঘটকের যোগ্য উত্তরসূরি বলা হত তাঁকে।

জন্ম পুরুলিয়ায়, পড়াশোনা কলকাতায়
বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের জন্ম ১৯৪৪ সালে, পুরুলিয়ার কাছে আনারায়। তাঁরা নয় ভাইবোন। বাবা তারাকান্ত দাশগুপ্ত ছিলেন চিকিৎসক। ভারতীয় রেলে কর্মরত ছিলেন। বারো বছর বয়সে তিনি পড়াশোনার জন্য কলকাতায় আসেন।

অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি অর্থনীতিতে অধ্যাপনা করেছেন। তারই ফাঁকে অর্থনৈতিক আর সামাজিক বিষয়ে তিনি উপলব্ধি বাস্তবতার ওপরে যা উপলব্ধি করেছিলেন, তা নিয়েই চলচ্চিত্র নির্মানের শুরু।

প্রথম চলচ্চিত্র তৈরি ১৯৬৮ সালে
১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি ডকুমেন্টারি দ্য কন্তিনেন্ত অফ লাভ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। ওই বছরেই তিনি তৈরি করেছিলেন সময়ের কাছে। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন এবং ঋত্বিক ঘটকের যোগ্য উত্তরসূরি বলা হত তাঁকে। অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তাঁদের কাছ থেকেই।

পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার
দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে স্পেনের মাদ্রিদ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তকে জীবনকালের কৃতিত্বের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। চলচ্চিত্রে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। বাংলায় তাহাদের কথা (১৯৯৩)-র জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। এছাড়াও তাঁর সেরা চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে বাঘ বাহাদুর (১৯৮৯), চরাচর (১৯৯৩), লাল দরজা (১৯৯৭), মন্দ মেয়ের উপখ্যান (২০০২), কালপুরুষ (২০০৮)।
(ছবি সৌজন্য: ফেসবুক)












Click it and Unblock the Notifications