সব্যসাচীর 'বলে দেওয়া' পথে সায়ন্তন বসু! তৃণমূলের অন্যতম 'শিল্প' নিয়ে সোচ্চার বিজেপি
তৃণমূলের অন্যতম শিল্প হল জলাভূমি বোজানো। এমনটাই বললেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। ডেবরায় দলের কর্মসূচিতে রাজ্য বিজেপির এই নেতা বলেন,
তৃণমূলের অন্যতম শিল্প হল জলাভূমি বোজানো। এমনটাই বললেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। ডেবরায় দলের কর্মসূচিতে রাজ্য বিজেপির এই নেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল রাজ্যে যেসব শিল্প চালু করতে পেরেছে তার মধ্যে জলাভূমি বোজানো অন্যতম। প্রসঙ্গত লোকসভা ভোটের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রশাসনিক সভায় মধ্যমগ্রামে জলাভূমি ভরাট নিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত।

সদস্য সংগ্রহ অভিযানে সায়ন্তন
দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানকে সামনে রেখে হওয়া অনুষ্ঠানে সায়ন্তন বসু কার্যত সব্যসাচী দত্তের কথাই তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজারহাট, বসিরহাট-সব বিভিন্ন জায়গায় জলাভূমি ভরাট করে পরিবেশের বারোটা বাজাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এইসব কাজ বিজেপি মানুষের সামনে তুলে ধরবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রশাসনিক সভায় সব্যসাচী
দিন দুয়েক আগে উত্তর ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হওয়া তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্তের বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় সব্যসাচী দত্ত রাজারহাট-নিউটাউনে জলাশয় বোজানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। বিধাননগরের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার দিনেই সব্যসাচী দত্ত জলাভূমি ভরাটের অভিযোগ করেছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালানোা তাঁর ইস্তফার অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেছিলেন সব্যসাচী। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন জলাশয় যাতে ভরাট
না হয় তা দেখতে হবে।

তৃণমূলের 'শিল্প'
রাজ্যের বিরোধী দলগুলি তৃণমূল আমলে শিল্প স্থাপন নিয়ে কটাক্ষ করে থাকে। মুখ্যমন্ত্রী একটা সময় বলেছিলেন চপ ভাজাতেও আয় হয়। সেই থেকে বিরোধীরা চপ শিল্প বলে কটাক্ষ শুরু করে। অন্যদিকে, এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকে সিঙ্গুরকে সামনে রেখে সেখানে শিল্পস্থাপনের জন্য দাবি করে আসছে বিরোধীরা। রাজ্যে একাধিকবার শিল্প সম্মেলন হলেও শুধু প্রতিশ্রুতির কথাই শোনা যায় কিন্তু সেখানে কোনও শিল্প রাজ্যে আসনে না বলেও অভিযোগ বিজেপি। সেদিক থেকে জায়গায় জায়গায় নির্মাণ শিল্পের কাজ বন্ধ হয়নি। সেটা খোলা মাঠের ওপরে হোক কিংবা, জলাভূমি ভরিয়ে হোক।












Click it and Unblock the Notifications