Sourav Ganguly Exclusive: সৌরভ সমালোচকদের ফুৎকারে ওড়ালেন, বাংলার জনমানসে কোন বদল চান দাদা?
Sourav Ganguly Exclusive: বেহালার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কেন মাদ্রিদে গিয়ে শালবনীতে ইস্পাত কারখানা গড়ার কথা বললেন তা ভেবে ঘুম ছুটেছে রাজনৈতিক নেতাদের। ভালো উদ্যোগকে স্বাগত না জানিয়ে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে চলছে কটাক্ষ।
ভারতীয় ক্রিকেট সবচেয়ে সঙ্কটের মুখ থেকে যাঁর জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে তাঁর নাম সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আজ কলকাতায় এসে সে কথা মনে করিয়ে সৌরভকে কলকাতার কিং বলেছেন মুথাইয়া মুরলীধরন। এগিয়ে রেখেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনির চেয়েও।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শিল্প কারখানা গড়ার ঘোষণা করতেই দাঁত-নখ বের করে নেমে পড়েছে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। অমিত শাহর সঙ্গে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী সৌরভের বেহালার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে গিয়েছিলেন, সৌরভকে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করার দাবি জানিয়েছিলেন। অথচ তিনিই মহারাজকে ধান্দাবাজ বলেছেন!
বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার থেকে ছোট-মেজ নেতারা নানা কটাক্ষ ছুড়ছেন। অনুপম হাজরার তো আবার গ্রেগ চ্যাপেলকেও ভালো লাগতে শুরু করেছে। তাঁরা ভুলেই গিয়েছেন সৌরভ বিজেপি-শাসিত ত্রিপুরার পর্যটনের মুখ। মমতার পাশে সৌরভকে দেখে অ্যালার্জি হয়েছে সিপিআইএম থেকে আইএসএফের।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতাই যেখানে সঠিক তথ্য না দিয়ে সৌরভকে আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছেন সেখানে সোশ্যাল মিডিয়াতেও সৌরভকে গালমন্দ করে অনেকে প্রচারের আলোয় থাকতে চাইছেন। সৌরভ নিজে অবশ্য এ সবকে পাত্তা দিচ্ছেন না। তিনি ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে আজ বললেন, শালবনীর কারখানা ১৮-২০ মাসের কমপ্লিট হবে। আমি সেদিকে তাকিয়ে রয়েছি।
সৌরভের কথায়, সারা ভারতে, সারা পৃথিবীতে সব মানুষ নতুন জিনিস করে, ব্যবসা করে, আমিও তাই। কে কী বলল তাতে গুরুত্বই দিই না। আমি বিধায়ক, সাংসদ বা মন্ত্রী নই। পুরোপুরিভাবে অ-রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সারা দেশে ঘুরি কাজের সূত্রে, খেলার সূত্রে। বিভিন্ন মানুষের প্রোগ্রাম ফাংশনে যাই, যাবও। আমি কোথায় যাই সেটা আমার সিদ্ধান্ত।

সৌরভ ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে আরও বলেন, আমি এমন একজন ব্যক্তি যাঁর দেশ-বিদেশে পরিচিতি রয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমি যাই, যাবও। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। আমি কোথায় যাব, কার সঙ্গে দেখা করব, কোথায় কাজ করব, কী বানাব তা আমার সিদ্ধান্ত, আমার অধিকার।
সচিন তেন্ডুলকর থেকে শাহরুখ খানের মতো তারকারা বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করেন। কোথাও কিছু নেই, যত রাজনীতির রং লাগানো এ রাজ্যে! সৌরভের কথায়, ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ দেখলেই সব স্পষ্ট হবে। কোথাও এমনটা হয় না। এই মানসিকতা বদলানো দরকার। আমি চাই বাকিরাও অভিনব ভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসুক। যাঁর যাতে আগ্রহ আছে।
সৌরভ যাবতীয় সমালোচনাকে বাপি বাড়ি যা স্টাইলে উড়িয়ে মনোনিবেশ করছেন কর্মসংস্থানের উপরেই। শিল্প গড়তে যে ছাড়পত্র, অনুমতি প্রয়োজন তার দীর্ঘসূত্রিতা যে এ রাজ্যে শিল্পের পরিবেশের পক্ষে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না সেই বার্তা মাদ্রিদে দিয়েছেন মহারাজ।
সৌরভের আকাদেমির জমি নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে সে প্রসঙ্গে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি বলেন, আকাদেমি ১৮ বছর ধরে চলছে। জমি আনার নয়। পূর্ত দফতর থেকে খেলার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আমরা কোচিং স্টাফ দিয়ে সহযোগিতা করি।












Click it and Unblock the Notifications