Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Exclusive: চোখের সামনে জ্বলছে ঘর, পুলিশ বলছে 'আমরা পারব না', সে ভয়ঙ্কর দৃশ্য চোখ থেকে সরছেই না সপ্তমীদের

Murshidabad Waqf Violence: ঘটনার পর প্রায় কয়েকদিন কেটে গিয়েছে! এখনও ওদের চোখেমুখে আতঙ্ক। রাতে চোখ বন্ধ করলেই মনে পড়ছে শনিবারের ঘটনার কথা। ওরা সামসেরগঞ্জের বেতবনা গ্রামের মহিলারা। ওদের অন্যায় ওরা হিন্দু! ওয়াকফ আইন খায় না মাথায় দেয়, তাঁরা কিছুই জানেন না। ওরা জানে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই। একটাই পরিবার। কিন্তু সেই পরিবারের সদস্যদের জন্যেই যে এভাবে বাড়ি-দোকান সব মুহূর্তে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে যাবে তা ভাবতেও পারেননি সপ্তমী মণ্ডলরা।

সব হারিয়ে তাঁদের ঠিকানা এখন গঙ্গার ওপারে অর্থাৎ মালদহের প্রত্যন্ত এলাকার পারলালপুর হাই স্কুল। কীভাবে কবে বাড়ি ফিরবেন জানেন না। পুলিশ প্রশাসনের উপর নেই ভরসা। বরং রয়েছে একরাশ ক্ষোভ (Murshidabad Waqf Violence) । ঘটনার দিন পুলিশের ভূমিকার কথা মনে পড়লে ক্ষোভে জ্বলে উঠছেন।

Murshidabad Waqf Violence

Murshidabad Waqf Violence: কী ঘটেছিল সেদিন

মুর্শিদাবাদের অন্যতম একটি প্রত্যন্ত এলাকা বেতবনা। চারপাশে জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক মুসলিম পরিবার। মাঝে বেশ কিছু হিন্দুদের বসবাস। গত শুক্রবার ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সামসেরগঞ্জ। প্রতিবাদের নামে তাণ্ডব চলে। আর সেই তাণ্ডবের আগুনে পুড়ে শেষ একাধিক হিন্দুদের বাড়ি-দোকান। আঁচ পড়ে বেতবনা গ্রামেও। মুখে কালো কাপড় পরে একদল 'হানাদার' গ্রামে ঢুকে তাণ্ডবলীলা চালায়।

ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলাকে সপ্তমী জানাচ্ছেন, "কোলের সন্তানকে নিয়ে বসেছিলাম। হঠাৎ করেই একদল যুবক ঢুকে ভাঙচুর চালাতে শুরু করল। সমস্ত কিছুতে আগুন লাগিয়ে দিল।" শুধু সপ্তমীর বাড়িতেই নয়, স্থানীয় একের পর এক বাড়িতে আগুন জ্বলছে দাউ দাউ করে। পুড়ছে মন্দির। এই অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে কোলের সন্তানকে নিয়ে দৌড় দেন তিনি। সপ্তমী বলছেন, পুলিশের সামনেই সব ঘটছে। সাহায্য চেয়েও লাভ হয়নি। উলটে পুলিশ বলছে, 'তোমরা লাঠি ধর। নিজের জীবন নিজেরাই বাঁচাও... আমরা পারব না। চোখের সামনে দেখলাম পুলিশ চলে গেল... বলছেন সপ্তমী।'

ঘটনার কথা মনে পড়লে এখনও শিউরে উঠছেন ওই স্কুলে আশ্রয় নেওয়া পূর্ণিমাদেবী। তিনি বলছেন, ওদেরকে আমরা কিছু বলিনি, মারতেও যাইনি। একসঙ্গেই তো থাকতাম। এমন কী ঘটল যে সব শেষ করে দেবে! ঘটনার সময় গাছের উপর উঠে প্রাণ বাঁচান পূর্ণিমা। চোখের সামনে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছুই করতে পারছেন না। এমনকী পুলিশের বিরুদ্ধে আছড়ে পড়ছে তাঁর ক্ষোভ। বারবার ফোন করলেও কেউ আসেনি। আর সেই সুযোগে তাণ্ডব চলে গ্রামে।

গ্রামে বিএসএফ ঢুকলে কোনও রকমে প্রাণ হাতে নিয়ে দ্রুত এলাকা ছাড়েন পূর্ণিমা। তাঁদের দাবি, এলাকায় পাকাপাকিভাবে বিএসএফের ক্যাম্প হলে তবেই ফিরব।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+