Exclusive: লক্ষ্মণ-মানসীর বিয়ের প্রীতিভোজ নিয়েও 'ভুয়ো' খবর! পুত্র সন্দীপ্তন সরব ওয়ানইন্ডিয়া বাংলায়
Lakshman Chandra Seth: হলদিয়ার প্রাক্তন সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ গত মে মাসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন মানসী দে-র সঙ্গে। আজ কলকাতার তালকুটিরে রিসেপশন। ২০১৬ সালে প্রয়াত হন লক্ষ্মণ শেঠের প্রথমা স্ত্রী তমালিকা পণ্ডা শেঠ।
৭৭ বছরের লক্ষ্মণ স্ত্রী-বিয়োগের পর থেকে একাকিত্বে ভুগছিলেন। এরই মধ্যে পরিচয় ও পরিণয় মানসী দে-র সঙ্গে। যার বড় কারণ, একাকিত্ব ঘোচানো।

অরুণ লাল থেকে আশিস বিদ্যার্থী, সাম্প্রতিককালে বয়সকে বুড়ো আঘুল দেখিয়ে বিয়ের নজির নেহাত কম নয়। স্বামী-স্ত্রী-র মধ্যে বয়সের ফারাক অনেকটা হলেও পারস্পরিক বোঝাপড়া, জীবনের চলার পথে বিশ্বস্ত সঙ্গী খুঁজে পাওয়াই মূল কথা। সবচেয়ে বড় কথা গোটাটাই তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরের মধ্যেই পড়ে। তবুও যেহেতু তাঁরা সেলিব্রিটি, তাই এ নিয়ে চর্চা হয় সংবাদমাধ্যমে।
লক্ষ্মণ শেঠ দ্বিতীয়বার বিয়ের পর একাধিক বিতর্ক নিয়ে কলকাতা প্রেস ক্লাবে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, তমালিকা পণ্ডা শেঠের মতো একই পথে চলবেন মানসী। তমালিকার সঙ্গে লক্ষ্মণের পরিচয় বাম রাজনীতি করার সময় থেকে। ১৯৭৯ সালে হয় বিয়ে। হলদিয়া পৌরসভার চেয়ারপার্সন হওয়ার পাশাপাশি তমালিকা ছিলেন মহিষাদল বিধানসভার বিধায়কও।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তমালিকা আপনজন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯টি বই লিখেছিলেন, কবি হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছিলেন। মানসী দে কলকাতার বাসিন্দা। বিয়ের পর লক্ষ্মণ জানিয়েছিলেন, কলকাতা ও হলদিয়ায় হবে প্রীতিভোজের আয়োজন। এরই মধ্যে প্রীতিভোজকে কেন্দ্র করে ভুয়ো খবরের অভিযোগ।

কয়েকটি সংবাদমাধ্যম লক্ষ্মণের পুত্র সন্দীপ্তনের সঙ্গে কথা না বলেই তাঁর মুখে পারিবারিক মতানৈক্যের বক্তব্য বসিয়েছে বলে অভিযোগ। যার জেরে প্রবল ক্ষুব্ধ তিনি। সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্মণ ও মানসীর প্রীতিভোজ বয়কট করছেন দুই পুত্র। তাঁরা এই বিয়ে মানেন না। যদিও তা ভিত্তিহীন বলেই ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে জানালেন সন্দীপ্তন।
সন্দীপ্তনের কথায়, বাবা বিয়ে করেছেন, এটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের আপত্তির কিছু নেই। মানসী দে-র সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা হয়নি। তবে বিয়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা প্রীতিভোজে যোগদান না করার কথা ভিত্তিহীন। এমনও রটেছে যে বাবার বিয়ের প্রীতিভোজের পোশাক আসছে লন্ডন থেকে। তিনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে অপপ্রচারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছি না।
লক্ষ্মণের ছোট পুত্র আরও জানান, তাঁর দাদা সায়ন্তন আজ কলকাতার প্রীতিভোজের অনুষ্ঠানে থাকবেন। সন্দীপ্তন থাকতে পারছেন না তাঁর পুত্রর অসুস্থতার কারণেই। যদিও হলদিয়ায় যে প্রীতিভোজ হবে সেখানে তিনি থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কী উদ্দেশ্যে সংবাদমাধ্যমের একাংশ পিতা ও পুত্রদের মধ্যে বিরোধ লাগাতে ভুয়ো খবর প্রকাশ করল সেটাই বোধগম্য হচ্ছে না সন্দীপ্তনের।












Click it and Unblock the Notifications