Burdwan University: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ কী কাণ্ড! নিরাপত্তাহীনতায় প্রবল উদ্বেগে পড়ুয়ারা
Burdwan University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার আবহে এবার অন্য এক বিতর্ক বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রবল নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। চিন্তার মূল কারণ, ওয়েবসাইটের ডোমেন পরিবর্তন।
বিষয়টি নিয়ে ওয়ানইন্ডিয়া বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল সিস্টেম সুপারভাইসর অজয় আঢ্যর সঙ্গে। তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে অভিযোগ বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। পড়ুয়াদের নিরাপত্তাহীনতাও যার অন্যতম বড় বিষয়। কিন্তু এবার বিশ্ববিদ্য়ালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই উঠছে গাফিলতির অভিযোগ। কেন না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে থাকে প্রচুর নথি। সেগুলিই আর নিরাপদ কিনা সেই প্রশ্ন জোরালো আকারে উঠল।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের লিঙ্ক (www.buruniv.ac.in)-এ ক্লিক করলেই খুলে যাচ্ছে অন্য একটি লিঙ্ক (https://www.topmmogoldz.com/Web/)। এটাই চিন্তা বাড়িয়েছে সকলের। নতুন যে লিঙ্ক খুলছে তার ডোমেনের কোথাও নেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিচিতির জন্য আলাদা ডোমেন থাকে। কিন্তু এখানেই খুলছে সম্ভবত বেসরকারি সংস্থার লিঙ্ক।

এ ছা়ড়া বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল লিঙ্কে ক্লিক করলে যে নতুন ডোমেনের পেজ খুলছে তাতে লেখা, Website Under Development, অর্থাৎ ওয়েবসাইট ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে। কিন্তু প্রযুক্তি বিশারদদের এখানেই আপত্তি। তাঁদের কথায়, কেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল লিঙ্কটি রেখে স্ল্যাশ দিয়ে ডেভেলপমেন্টের বন্দোবস্ত তো করা যেত।
www.buruniv.ac.in লিঙ্কে ক্লিক করলে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডোমেন ভ্যানিশ হয়ে যাওয়াই সকলের নথির নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে কোনও সদুত্তর মিলছে না। ওয়ানইন্ডিয়া বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম অ্যাডভাইসরের সঙ্গে। তিনি স্বীকার করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট তিনিই দেখভাল করেন।
কিন্তু সিস্টেম অ্যাডভাইসরকে লিঙ্কের বদল নিয়ে প্রশ্ন করা হলেই তিনি জানিয়ে দেন, বিষয়টি রেজিস্ট্রারকে বলা আছে, তিনিই যা বলার বলবেন। আমাদের প্রশ্ন ছিল, ছাত্র-ছাত্রীদের নথির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু সেই প্রশ্ন করার আগেই ফোন কেটে দেন সিস্টেম অ্যাডভাইসর। পরে আর ফোন ধরেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. সুদীপ চক্রবর্তীর ফোন থেকে বার্তা এসেছে, নেটওয়ার্ক এরিয়ার বাইরে।
প্রশ্ন এখানেই, যদি সব কিছু আইন মেনেই হবে তাহলে কেন পালিয়ে গেলেন সিস্টেম অ্যাডভাইসর? কেন ছাত্র-ছাত্রীদের দুশ্চিন্তা দূর করতে বার্তা দিতে পারল না বিশ্ববিদ্যালয়?












Click it and Unblock the Notifications