মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী ছাড়া সিপিএম প্রার্থীরা তৃতীয়,চতুর্থ স্থানে?
ফেরাতে হাল, ফিরুক লাল। এই স্লোগান ভোটের আগে তুলেছিল সিপিএম। কলকাতা ও রাজ্যজুড়ে প্রচারে কার্যত ঝড় তুলেছিল বামেরা। অন্তত তেমন দাবি সিপিএম নেতাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো কাঁপিয়ে তুলেছিলেন সিপিএম কর্মী - সমর্থকরা। কিন্তু বঙ্গে সেই তিমিরেই থেকে গেল সিপিএম।
সেই তিমির নয়। আরও অন্ধকারে ডুবে গেলেন মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরা। লোকসভা ভোটের ফলাফলে আরও একবার ব্যর্থতার নজির গড়লেন সিপিএম নেতৃত্ব। বরং অন্ধকার আরও গাঢ় করে কমেছে ভোট শেয়ার। আরও কমেছে জন সমর্থন।

ফলে যে বামেরা নিজেদের জয় পেতে ঝাঁপিয়েছিলেন। ভোটের ফল পর দেখা গেল, দুজন বাদে সকলেই শুধু ভোটে হারেননি। জামানত পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এবার কি করবে আলিমুদ্দিন? কোন পথে হাঁটবে বঙ্গ সিপিএম? এই প্রশ্ন উঠছে।
লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় এবার ৩০ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বামেরা। ২২ টি আসনে সিপিএম প্রার্থী দেয়। আর আটটি আসনে অন্যান্য শরিকরা নির্বাচনে লড়ে। কিন্তু ভয়াবহ ফল দেখতে পাওয়া গেল ভোটবাক্সে।
কেবল মুর্শিদাবাদে মহম্মদ সেলিম ও দমদমে ডাঃ সুজন চক্রবর্তী মোট ভোটের ১/৬ ভাগ পার করতে পেরেছেন। সেলিম পেয়েছেন ৩৩.৬২ শতাংশ ভোট। সুজন ১৯.১১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
২৫ হাজার টাকা করে জমা দিতে হয় নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য। সেলিম আর সুজন বাদে সব বাম প্রার্থীদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মহম্মদ সেলিম একমাত্র বাম প্রার্থী। যিনি বামেদের মধ্যে ভোট পাওয়ার নিরিখে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন। অন্য সব প্রার্থী তাদের হয় তৃতীয় বা চতুর্থ স্থানে পেয়েছেন।
আইএসএফকে নিয়ে সিপিএমের ভোটের আগে মতবিরোধ তৈরি হয়। তারা আলাদা লড়াই করে। আইএসএফ কোনও কোনও জায়গায় বামেদের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে। মথুরাপুর, বসিরহাট, বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে আইএসএফ এগিয়ে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইএসএফ। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বাম প্রার্থীরা।












Click it and Unblock the Notifications