কারণ উল্লেখ করে কেন্দ্রের শোকজের উত্তর আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের, কড়া ব্যবস্থা চায় বিজেপি
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) সঙ্গে তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় (alapan banerjee) কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর (narendra modi) ইয়াস (cyclone yaas) নিয়ে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছিলেন বলে
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) সঙ্গে তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় (alapan banerjee) কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর (narendra modi) ইয়াস (cyclone yaas) নিয়ে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠার পর থেকেই শোরগোল পড়ে যায়। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে রিপোর্ট করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি তা না করে নির্দিষ্ট দিনেই অবসর নেন এবং মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য পরামর্শদাতা হিসেবে কাজে যোগ দেন। পরে তিনি কেন্দ্রকে শোকজের জবাবও দিয়েছেন।

কেন্দ্রকে শোকজের জবাব আলাপনের
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রকে দেওয়া শোকজের জবাবে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, তাঁর আমলাতান্ত্রিক কর্মজীবন দীর্ঘদিনের। তিনি তাঁর কর্মজীবনে, কোনও সময়ই প্রধানমন্ত্রীর অফিস কিংবা অন্য কোনও সংস্থাকে অবজ্ঞা করেননি। তিনি বলেছেন, ভাই মারা যাওয়ার পরে ২৮ মে পারলৌকিক অনুষ্ঠান ছিল। সেই দিনেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক। প্রাক্তন মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী বৈঠক ডেকেছিলেন, তাই তিনি সেখানে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেছিলেন।

চিঠিতে কারণ উল্লেখ করেছেন
নবান্ন ভেবেছিল প্রধানমন্ত্রীর নির্দিষ্ট বৈঠকের আগে মোদী মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি চেষ্টা করেছিলেন কলাইকুন্ডা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে, কিন্তু তা পারেননি। পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই বৈঠক ছেড়ে গিয়েছিলেন।

চিঠিতে ক্ষমা প্রার্থনা
দীর্ঘদিনের এই আমলা জানিয়েছেন, এই ঘটনা কখনই উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছিল না। চিঠিতে ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি বলেছেন, অবসরপ্রাপ্ত আমলার বিরুদ্ধে দুর্যোগ মোকাবিলা আইনে পদক্ষেপ গ্রহণ করা ঠিক হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর অফিসকে অবজ্ঞা করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

বিজেপির তরফে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
যদিও বিজেপির তরফে এব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিলে তা অন্য আমলাদের ক্ষেত্রে বার্তা হয়ে থাকবে। দীর্ঘ সময় ধরে বিজেপি অভিযোগ করে আসছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আধিকারিকদের ব্যবহার করছেন। যার জন্য কেন্দ্রের কাছে তারা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তা করলে রাজ্যও চাপের মধ্যে থাকবে। তারা এও মনে করছে এবারের কড়া ব্যবস্থা নিলে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না।
যদিও সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্র এব্যাপারে আর এগোতে রাজি নয়। কেননা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জনসমক্ষে কোনও মন্তব্য করেননি। পাশাপাশি তিনি শোকজেরও জবাব দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications