বাংলায় ভোটার সংখ্যা ইভিপিতে ১০০ শতাংশেরও বেশি! চক্ষু চড়কগাছ পরিসংখ্যানে
ইভিপি অর্থাৎ ভোটার তথ্য যাচাই কর্মসূচির পরিসংখ্যান দেখলে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাবে। বাংলায় ভোটারের সংখ্যা যা, তার থেকেও বেশি সংখ্যক ভোটারের পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে ইভিপিতে।
ইভিপি অর্থাৎ ভোটার তথ্য যাচাই কর্মসূচির পরিসংখ্যান দেখলে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাবে। বাংলায় ভোটারের সংখ্যা যা, তার থেকেও বেশি সংখ্যক ভোটারের পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে ইভিপিতে। ভোটার তথ্য যাচাই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন একশো শতাংশেরও বেশি ভোটার! এই ঘটনা পরীক্ষায় পূর্ণমানের থেকেও বেশি নম্বর পাওয়ার মতোই ব্যাপার।

বাংলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬.৯৮ কোটি। কিন্তু এই ইভিপিতে দেখা যাচ্ছে বাংলার তথ্য যাচাই করতে চাওয়া ভোটারের সংখ্যা তার থেকেও বেশি। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠে পড়েছে কর্মসূচি নিয়ে। এই কর্মসূচি যে নিষ্কণ্টক নয়, তার প্রমাণ মিলছে এই সামান্য তথ্যতেই। শুধু এ রাজ্যই নয়, এমন চিত্র ফুটে উঠেছে ভিনরাজ্যেও।
এখন প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে ঘটতে পারে এই ঘটনা? কীভাবে ইভিপি-তে বেশি হতে পারে ভোটারের সংখ্যা? তির সেই ইভিপি পোর্টালের দিকেই। কেননা বারবার প্রযুক্তিগত কারণে হোঁচট খেযেছে এই ইভিপি পোর্টাল। সেই কারণেই ১০০ শতাংশের বেশি ভোটার দেখাচ্ছে ইভিপি। এমন হতে পারে একই ভোটার একাধিকবার সাবপিম করেছেন তাঁদের আবেদন।
স্পষ্ট কোনও সংকেত বুঝতে পারেননি অনেক ভোটারই। এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। অনেকে হয়তো বুঝতেই পারেননি, তাঁদের ভোটার তথ্য যাচাই বা সংশোধন প্রকৃত অর্থে হল কি না। সেই কারণেই ইভিপি দেখাচ্ছে ভোটারের সংখ্যা প্রকৃত সংখ্যার থেকে বেশি দেখাচ্ছে। অনেকেরই একাধিক ফর্ম জমা হয়েছে ইভিপি পর্বে।
ত্রুটিপূর্ণ হলেও এই কর্মসূচি সফল বলে দাবি করছে কমিশন। কেননা স্বাধীনতার পরে দেশের সমস্ত বোটারকে নিয়ে এ ধরনের কর্মসূচি এই প্রথম করা হল। তাতে যে সাড়া পড়েছে, তা প্রশংসনীয়। একইসঙ্গে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ইভিপিতে যাঁরা সংশোধন করতে পারেননি, তাঁদের চিন্তার কিছু নেই। ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটার তালিকায় সংযোজন, বিযোজন ও সংশোধনের কাজ চলবে। তখনই সংশোধন করা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications