চৈত্রের শুরুতেই কালবৈশাখীর পরিস্থিতি! বজ্রপাত-বৃষ্টি-দমকা কত দিন, বাংলার জেলাগুলির জন্য আবহাওয়ার বড় বার্তা
ঝাড়খণ্ড থেকে দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের ওপরে থাকা অক্ষরেখা এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্পের প্রবেশের ফলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রপাত-সহ দমকা হাওয়ার সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কোনও কোনও জেলায় শিলা বৃষ্টিরও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ষোলো থেকে কুড়ি মার্চের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক বজ্রপাত হতে পারে। এব্যাপারে সাধারণ মানুষের কাছে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতেও অনুরোধ করা হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

- আবহাওয়া দফতরের দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ১৬ মার্চ শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ঘন্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া এবং হাল্কা থেমে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। যে কারণে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
- ১৭ মার্চ রবিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব বর্ধমানে ঘন্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া এবং হাল্কা থেমে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। যে কারণে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এছাড়াও রবিবার হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদিয়ায় ঘন্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। যে কারণে হলুদ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
- ১৮ মার্চ সোমবার থেকে ২০ মার্চ বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় ঘন্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রপাত-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। যে কারণে হলুদ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
- তবে উত্তরবঙ্গের কোনও জেলায় জন্য আপাতত এই ধরনের সতর্কবার্তা নেই। উত্তরবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাসও নেই।
- আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, এই বৃষ্টিতে মাঠে থাকা ফসলের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া অস্থায়ী পরিকাঠামোর ক্ষতি হতে পারে।
- বজ্রপাতের সময় বাইরে ঘোরাঘুরি না করে পাকা ছাদের তলায় অপেক্ষাকৃত নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে হবে। গাছের তলায় কিংবা কোনও বিদ্যুতের খুঁটির নিচে কোনওভাবেই আশ্রয় নেওয়া যাবে না।












Click it and Unblock the Notifications