বালি পাচার নিয়ে ফের তৎপর ED! ঝাড়গ্রাম-কলকাতা মিলিয়ে ৮ জায়গায় তল্লাশি অভিযান, কোন কোন ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা?
ভারতের আর্থিক তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আবারও একটি বড় তল্লাশিতে নেমেছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই বালি পাচার মামলায় রাজ্যের আট জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে। ঝাড়গ্রাম এবং কলকাতার মধ্যে একাধিক জায়গায় সকাল সকাল ইডির তদন্তকারী টিম পৌঁছে যায়। অভিযোগ, ভুয়ো চালান তৈরি করে সেখানে বালি পাচার করা হত। আরও একাধিক অভিযোগও রয়েছে। কয়লা, গরু পাচারের মতো এই মুহূর্তে বালি পাচার মামলাতেও ইডিকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

এই তদন্তে বেশ কিছু ব্যবসায়ীর নামও উঠে এসেছে। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডির একটি দল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল আজ ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালায়। খাদান থেকে বেআইনিভাবে বালি তোলা এবং বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উঠেছে যে, এই বালি পাচার মামলায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে নাকি কালো টাকাও সাদা করা হয়েছিল। এর আগে তল্লাশি অভিযানে এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে এই সমস্ত তথ্য উঠে আসলে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি।
ইডি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, ওই ব্যবসায়ীর নাম অভিষেক পাত্র। ওরফে বিলটু। অনেক আগে থেকেই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি থানায় অবৈধভাবে বালি তোলা ও বিক্রি করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আজ তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। কিন্তু ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালালেও তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যায়নি। কারণ এই মুহূর্তে অভিষেক পাত্রের বাবা ক্যানসার আক্রান্ত এবং তিনি কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। সেই সূত্রে অভিষেকও আপাতত কলকাতায় আছেন। তাই ইডি আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।
নিউ আলিপুরের ফিনান্সিয়াল ব্রোকার প্রবীণ কেসরার বাড়িতেও হানা দেয় ইডির দল। ইডি সূত্রে খবর, অবৈধভাবে বালি পাচার থেকে আদায় হওয়া বিপুল অর্থ কোথায় এবং কীভাবে বিনিয়োগ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখতেই এই তল্লাশি শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications