১০৮ পুরভোটের ফল রাত পোহালেই, কার মাথায় উঠবে তাজ? নিরাপত্তার বজ্র-আঁটুনি গণনাকেন্দ্রে
রাত পোহালেই রাজ্যের ১০৮ পুরসভার ভোটের গণনা। সে জন্য ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে গণনাকেন্দ্রগুলিকে ঘিরে। গণনাকেন্দ্রে কমিশনের তরফে সমস্তরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রাত পোহালেই রাজ্যের ১০৮ পুরসভার ভোটের গণনা। সে জন্য ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে গণনাকেন্দ্রগুলিকে ঘিরে। গণনাকেন্দ্রে কমিশনের তরফে সমস্তরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কমিশনের তৎপরতার পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলি অধীর অপেক্ষায় রয়েছে। কার মাথায় উঠবে জয়ের তাজ।

নির্বাচন কমিশন ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি রেখেছে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও বিধি মেনেই গণনাকেন্দ্রে সমস্তরকম ব্যবস্থা রা হচ্ছে। কোনওরকম খামিত থাকছে না গণনাকেন্দ্রের ভিতরে। নিরাপত্তার বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে প্রথামাফিক সমস্ত নিয়ম মেনে। প্রথম স্তরে লাঠিধারী পুলিশ ও কমব্যাট ফোর্স থাকছে। তারপর দ্বিতীয় স্তরে তৈরি ঘোরাটোপ। সেখানে পেন ও কাগজ ছাড়া কোনও কিছু নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে দ্বিতীয় স্তরে সংবাদ মাধ্যমের জন্য ব্যবস্থা থাকছে। তারপর থাকছে তৃতীয় স্তর। সেই স্তরে একপাশে স্ট্রং রুম, তার পাশে রয়েছে মূল গণনাকেন্দ্র। এই বলয়ে রাজ্য সরকারে সশস্ত্র পুলিস বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনিতে ঘিরে ফেলা হয়েছে পুরো গণনা কেন্দ্র।
বুধবার গণনা শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা হবে। তারপর অন্য ঘরে ইভিএমে ভোট গণনা শুরু হবে। তারপরই পরপর আসতে শুরু করবে ওয়ার্ডভিত্তিক ফলাফল। কোন ওয়ার্ডে কে জয়ী হয়, কোন পুরসভায় কে, তা নিয়ে উৎকণ্ঠা মঙ্গলবার থেকেই। শাসকদলের প্রার্থীরা অনেকাংশে খোশমেজাজে রয়েছেন। তাঁরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস জানিয়েছেন, প্রত্যেক গণনা কেন্দ্রকে সিসিটিভি দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। বিজয় মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনওরকমে অশান্তি বরদাস্ত করবে না পুলিশ। এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে, নির্বাচনে কে জিতবে। কে কাউন্সিলর হয়ে পুরসভায় যাবে।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের পাঁচ পুরনিগমের ভোট হয়েছে। সেখানে বিপুল ব্যবধান জয় হাসিল করেছে তৃণমূল। প্রতিটি পুরসভাতেই তৃণমূল বড় জয় পেয়েছে। দূরবর্তী দ্বিতীয় বামফ্র্ট বা বিজেপি। বিজেপির তুলনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বামেরা উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে। কলকাতা, বিধাননগর, আসানসোল, শিলিগুড়ি, চন্দননগরের নির্বাচেন বিরোধীরা কলকে পায়নি। বিজেপিকে টপকে কলকাতা, চন্দননগর, বিধাননগরে ভালো ফল করেছিল বামফ্রন্ট। এমনকী আসানসোল ও শিলিগুড়িতেও বিজেপির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলেছে বামফ্রন্ট। তাই রাজ্যব্যাপী ১০৮ পুরসভার ফল বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জের। কারণ তাদের প্রমাণ করতে হবে এখনও রাজ্যে তারাই দ্বিতীয়।












Click it and Unblock the Notifications