টসেই হল ভাগ্য নির্ধারণ! তৃণমূল ও বামপ্রার্থীর সমান-সমান ভোটে টাইব্রেকার-পন্থা কমিশনের

টসেই হল ভাগ্য নির্ধারণ! তৃণমূল ও বামপ্রার্থীর সমান-সমান ভোটে টাইব্রেকার-পন্থা কমিশনের

তৃণমূল চার পুরসভা ভোটে সবুজ ঝড় তুললেও কিছু কিছু ওয়ার্ডে লড়াই হয়েছে সমানে সমানে। তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে টক্কর দিয়েই এগিয়েছেন বামপ্রার্থী। শেষপর্যন্ত তৃণমূল প্রার্থী ও বাম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট সমান-সমান হয়ে যায়। এই অবস্থায় টাইব্রেকারের আশ্রয় নিতে হয় নির্বাচন কমিশনকে। টসে ভাগ্য নির্ধারণ হয় দুই প্রার্থীর।

টসেই হল ভাগ্য নির্ধারণ! তৃণমূল ও বামপ্রার্থীর সমান-সমান ভোটে টাইব্রেকার-পন্থা কমিশনের

অভিনব এই ঘটনা ঘটে আসানসোল পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডে টানটান উত্তেজনার মধ্যে গণনা চলছিল। গণনা শেষে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আশা প্রসাদ ও বামফ্রন্ট প্রার্থী তনুশ্রী রায় উভয়েই ২৩৫৮টি করে ভোট পান। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়। এই ওয়ার্ডে টাইব্রেকার হবে। টসে যে জিতবেন, তিনই হবে কাউন্সিলর। সেইমতো নির্বাচন কমিশন দুই প্রার্থী ও এজেন্টদের উপস্থিতিতে টসের ব্যবস্থা করে।

বাম ও তৃণমূল এই টসকে কেন্দ্র করে উত্তেজনায় ফুটেছে, কার কপালে উঠবে বিজয়তিলক। তিনটে নাগাদ টসের ব্যবস্থা করা হয়। দুই প্রার্থী ও তাঁদের দলের এজেন্টদের উপস্থিতিতে হয় টস। একটি পাত্রের মধ্যে দুটি নাম লেখা কাগজ রেখে নির্বাচনী আধিকারিক না দেখে একটি কাগজ তুলে নেন। তাতে যে নাম লেখা ছিল, তাঁকেই জয়ী বলে ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনী আধিকারিকের টসে আসানসোলের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আশা প্রসাদ। আশার জয়ে আশাহত হয়েছেন বামপ্রার্থী তনুশ্রী। তবে তাঁর লড়াই একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। কারণ এই বাজারেও তিনি তৃণমূল প্রার্থীকে টেনে নিয়ে গিয়েছেন টাইব্রেকার পর্যন্ত। এক অভিনব উপায়ে প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আসানসোল পুরসভায় ১০৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে সিংহভাগ আসে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের দখলে গিয়েছে বা এগিয়ে আছে ৯১টি আসন। সাতটি আসনে জয়ী বা এগিয়ে আসে বিজেপি। সিপিএম বা বামফ্রন্ট, কংগ্রেস বা অন্যান্যরা যথাক্রমে ২, ৩, ৩টি আসন পেয়েছে আসনসোল পুরসভায়। বিরোধীরা এখানে দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেনি কেউ। প্রায় ৯০ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল।

আসানসোল পুরসভা তৃণমূলের দখলে থাকলেও বিগত দুই নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৯-এর লোকসভা ও ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে বিজেপি এই পুরসভায় নিরঙ্কুশ প্রাধান্য দেখিয়েছিল। কিন্তু ২০২২-এর পুর নির্বাচনে সেইসব হিসেবে ধুয়ে-মুছে সাফ। বিজেপি যেখানে বিধানসভায় ৬৬টি ওয়ার্ডে এগিয়েছিল, এবার তারা মাত্র সাতটি ওয়ার্ডে জয় ধরে রাখতে পেরেছে। আর তৃণমূল এগিয়েছিল ৫০টি ওয়ার্ডে, তারা সেটা বাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে ৯১-এ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+