Egra Blast: কলকাতায় আনা গেল না, কটক হাসপাতালেই মৃত্যু হল ভানু বাগের
বাঁচানো গেল না ভানু বাগকে। এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানু বাগের মৃত্যু হল ওড়িশা হাসপাতালে। কটক হাসপাতালে মারা যান তিনি। ৭০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় এগরার খাদিকুল গ্রাম থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
কটকের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানু বাগকে। তাঁর দেহ নিয়ে আসতে ওড়িশা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে রাজ্যপুলিশ।

এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানু বাগ ওরফে কৃষ্ণপদ বাগ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিস্ফোরক আইনের ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গতকাল আদালতের নির্দেশের পরেই এই এই মামলা দায়ের করেছে সিআইডি। এগরার খাদিকুল গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ভানু বাগ।

এগরার খাদিকুল গ্রামে বেআইনি বাজি কারখানা চালাতেন তিনি। গত সোমবার এগরার খাদিকুল গ্রামে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে তাঁর বাজি কারখানায়। সেই ঘটনায় মারা গিয়েছেন ৯ জন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতোটাই ছিল যে উড়ে গিয়েছে বাড়ির চাল। পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে গোটা বাড়ি।
মৃত্যুর আগে বয়ান নেওয়া যায়নি ভানু বাগের। অত্যন্ত সংকটজনক ছিল তার অবস্থা। এমনই জানিয়েছে সিআইডি। ভানু বাগের মৃত্যুর জেরে তদন্তে প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর দগ্ধ অবস্থাতেই ২৬৫ কিলোমিটার পারি দিয়ে পালিয়েছিলেন তিনি।
ভানু বাগ নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। সেই আহত অবস্থাতেই তিনি ওড়িশায় পালিয়ে িগয়েছিলেন। বাইকে করে পালিয়ে গিয়েছেন ভানু বাগ এবং তাঁর স্ত্রী। তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। ওড়িশায় গিয়ে খোঁজ চালাচ্ছিল রাজ্য পুলিশ। গতকালই ওড়িশা পুলিশ ভানু বাগের সন্ধান পায়। কটকের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল ভানু বাগের।
তারপরেই ভানু বাগকে কলকাতায় নিয়ে আসার তোরজোর চলছিল। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে আনা যাবে না বলেই জানা যাচ্ছিল। তার মধ্যেই মৃত্যু হল ভানু বাগের। এবার তাঁর দেহ আনার জন্য ওড়িশা পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। ওড়িশা পুলিশের অনুমতি মেলার পর ভানু বাগকে কলকাতায় নিয়ে আসা হবে।
এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ড ঘিরে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। সেই মামলাতে অবশ্য সিআইডি তদন্তেই আস্থা রেখেছে আদালত। তবে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্য পুলিশের ব্যর্থতার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।
রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ভানু বাগের কাছ থেকে এগরা থানার আইসি ৫০ হাজার টাকা করে নিতেন। সেকারণেই পুলিশের চোখের সামনেই বেআইনিভাবে বাজি কারখানা চালাতেন ভানু বাগ। পুলিশ সব জেনেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
আইপিএলের সব খবরের আপডেট, স্কোর, স্ট্যাটিসটিক্স, ছবি, ভিডিও একনজরে












Click it and Unblock the Notifications