মোবাইল বাজেয়াপ্ত করল ইডি, রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি সুবোধ চক্রবর্তীর
সুবোধ চক্রবর্তীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করলেন ইডির আধিকারিকরা। ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে গেলেন ইডি আধিকারিকরা। উত্তর দমদম পুররসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইডির অভিযান চলে।
এদিন সন্ধ্যার পর বিরাটির খলিসাকোটার বাড়ি থেকে ইডির আধিকারিকরা বেরোন। সুবোধ চক্রবর্তীকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রথম দিকে তিনি কোনও কথা বলতে চাননি। যদিও তারপর একে একে উত্তর দেন প্রশ্নের।

তাঁর আমলে উত্তর দমদম পুরসভায় নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ৫৭ জনের চাকরি নিয়ে প্রশ্নও ওঠে। সুবোধবাবু স্বীকার করেছেন, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতি সম্পর্কে কোনও কথা মানতে চাননি।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, চক্রান্তের জন্য এই ইডি, সিবিআই অভিযান চলছে। কাউন্সিলর থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত বিভিন্ন মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ ইডির আধিকারিকরা বাড়িতে এসেছিলেন। দফায় দফায় তারা সুবোধ চক্রবর্তী ও বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তদন্তকারীরা সুবোধ চক্রবর্তীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে পরে ডাকা হবে। এই কথাও তিনি জানিয়েছেন।
তিনি পুরপ্রধান থাকাকালীন চাকরি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। এই কথা মানতে চাননি। তিনি কারোর চাকরির সুপারিশ করেননি। কোনও সুপারিশও আসেনি।স্বাভাবিকভাবে চাকরি হয়েছে দাবি সুবোধের।
শুক্রবার সকাল সাড়ে সাড়ে ছয়টা নাগাদ ইডির প্রতিনিধি দল ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তিন নম্বর খলিসাকোটা পল্লীতে সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে আসেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাইরে নিরাপত্তায় ছিলেন। দমদম থানার আইসি বঙ্কিম বিশ্বাস ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন।
তিনি ভিতরে ঢুকতে চাইলেও তাকে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। আধিকারিকরা জানিয়ে দেন, তার ভিতরে ঢোকার কোনও অনুমতি নেই। পরে থানার আইসি ফিরে যান।












Click it and Unblock the Notifications