অমিত শাহ ফিরতেই কলকাতায় ইডির হানা? নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার ডেরায় তল্লাশি?
বছরের শেষে আবার শহরে ইডির হানা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার ফের কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযানে ইডি। সকাল সাড়ে ছটা থেকে এই অভিযান শুরু হয়েছে। একসঙ্গে নটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
বড়বাজার, মানিকতলা, ডালহৌসির অফিস পাড়া, সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যাল এলাকায় এই অভিযান চলছে। প্রত্যেকটি জায়গাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে বাইরে। ঘটনায় এলাকাগুলিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য রয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিল ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে কলকাতার অন্তত ৯ টি জায়গায় হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও।
বৃহস্পতিবার সকালে ডালহৌসি অঞ্চলের একটি অফিসে তদন্তকারীরা পৌঁছান। বড়বাজারের একটি অফিসে এবং সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যালসে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের। ইডির তরফে এই তল্লাশির কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানা যায়নি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তের সূত্রেই এই অভিযান।
বড়বাজারে (৩০৩ নম্বর বাড়িতে) যে জায়গায় ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন, সেটি এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের অফিস বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, হিসেবে গরমিল সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তের সূত্রেই সেখানে হানা দেওয়া হয়েছে।মানিকতলার মনি কলা আবাসনে তল্লাশি চলছে। সুবোধ সাচার ও অশোক ইয়াদুকার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চলছে।
ইডি সূত্রে খবর, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে। কালো টাকা সাদা করার কাজ হয়েছে। আর কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে? সেই খোঁজে তল্লাশি অভিযানে নেমেছেন আধিকারিকরা৷ এখানেও কি কালো টাকা সাদা করার কাজ হয়েছে? প্রশ্ন রয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সময় সীমা বেঁধে দিয়েছে। হাতে সময় কম তদন্তকারীদের। সম্প্রতি আরও বেশ কিছু জায়গায় অভিযান চালিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। আরও নতুন নতুন তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। এমনই দাবি করা হয়েছে। এ দিনের অভিযানে কোন তথ্য হাতে লাগে তদন্তকারীদের। সেই বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications