নিয়োগ দুর্নীতিতে অর্ণব বসুর সল্টলেকের একাধিক বাড়িতে তল্লাশি ইডির
SSC SCam: Education Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের একবার তল্লাশি অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সল্টলেকের দুটি আবাসনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুটি টিম হানা দেয় বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের আধিকারিক অর্ণব বসুর দুটি বাড়িই। প্রায় ঘন্টাখানেক হয়ে গিয়েছে সেখানে তদন্তকারীরা তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
বেশ কিছু নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে সল্টলেকে অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডির আধিকারিকরা। সেখান থেকে ওএমআর শিট থেকে শুরু করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান আধিকারিকরা। আর এর মধ্যেই ফের একবার সল্টলেকে তল্লাশি তদন্তকারী সংস্থার

অর্নব বসুর ভূমিকা সামনে এসেছে দুর্নীতিতে
জানা যাচ্ছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে অর্নব বসুর ভূমিকা সামনে আসে। যিনি কিনা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অ্যাকাউন্টস বিভাগে চাকরি করেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর যে দুটি বাড়িতে এই তল্লাশি চলছে সেগুলি হল এসি ৩৯/২ এবং এসি ৪০/৪। যদিও অন্য একটি সূত্রে জানা যাচ্ছে, সল্টলেকের ৩৯/২ বাড়িটি অর্নবের শ্বশুরবাড়ি। দুটি বাড়িতেই ইডির আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপেই এই তল্লাশি চলছে বলে জানা গিয়েছে।

ইডির দফতরে এলেন ধৃত অয়ন শীলের স্ত্রী
অন্যদিকে ফের একবার ইডির দফতরে এলেন ধৃত অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীল। আজ বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স আসেন কাকলি শীল। হঠাত করে কেন তিনি ইডির দফতরে এলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কয়েকদিন আগেই নিয়োগ দুর্নীতিতে সল্টলেক থেকে অয়ন শীলকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর তাঁকে গ্রেফতার করে ইতিমধ্যে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অয়নশীলের স্ত্রী কাকলী দেবীর নামেও যৌথ সম্পত্তি রয়েছে। যা ইতিমধ্যে তদন্তকারী সংস্থার র্যাডারে। আর এর মধ্যে কাকলি দেবীর আজ কেন ইডির দফতরে এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে ধোঁয়াশা।

একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে
অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই অবস্থায় গত কয়েকদিন আগেই নিয়োগ দুর্নীতিতে মুখ খুলেছেন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন আগে আদালতে তোলার সময়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, যাঁরা বড় বড় কথা বলছেন সেই শুভেন্দু অধিকারী, সুজন চক্রবর্তী এবং দিলীপ ঘোষ কেউ দুর্নীতির বাইরে নন। ২০০৯-২০১০ সালে উত্তরবঙ্গে কী করেছেন সেটা তাঁরা ভুলে গিয়েছেন। ক্যাগ রিপোর্ট খতিয়ে দেখলেই সবটা বেরিয়ে আসবে।












Click it and Unblock the Notifications