প্রসন্ন রায়ের ১৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতেই ঘুরে গেল খেলা! নিয়োগ মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়
SSC Recruitment Scam: স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়োগের মামলায় বড় পদক্ষেপ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। ১৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিপুল এই সম্পত্তির সবটাই 'মিডলম্যান' প্রসন্ন রায়ের। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে একটি পোস্ট করেছে।
যেখানে কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হয়েছে। ইডির তথ্য অনুযায়ী, নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) 'মিডলম্যান' প্রসন্ন রায়ের নামে তো বটেই, তাঁর স্ত্রী'য়ের নামেও বিপুল সম্পত্তি ছিল। এমনকি একাধিক রিসোর্ট এবং হোটেলও ছিল। সমস্ত কিছুই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

যার মোট সম্পত্তির মূল্য ১৬৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিপুল এই সম্পত্তির মালিক প্রসন্ন রায় এবং তাঁর স্ত্রী থাকলেও আরও একটি সংস্থার যোগ পাওয়া গিয়েছে। সেটির নাম শ্রী দুর্গা ডিলকম প্রাইভেট লিমিটেড।
তবে সংস্থাটি আদৌতে প্রসন্ন রায়ের বলেও দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকদের। সবটাই নিয়েই নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘ প্রায় কয়েক বছর ধরে এই সংক্রান্ত মামলার তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত কয়েক দফায় বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি মামলাতেই তা করা হয়েছে। আর সেই মোট অর্থ এবং সম্পত্তির মূল্য বেড়ে ৫৪৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে ইডি। যা বড় সাফল্য হিসাবেই দেখা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, আদালতের নির্দেশে এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। বিপুল আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ইডি। আর এই তদন্ত নেমেই 'মিডলম্যান' হিসাবে প্রসন্ন রায়ের খোঁজ পান আধিকারিকরা। দীর্ঘ জেরার পর সিবিআই'য়ের হাতে গ্রেফতার হন প্রসন্ন। অন্যদিকে ইডির তরফেও বিষয়টি খোঁজ নেন। তদন্তকারীরা প্রসন্নের বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পান। যা একেবারে চমকে দেওয়ার মতো।
ED, Kolkata has provisionally attached Hotels/Resorts and immovable properties worth Rs.163.20 Crore, in the Group ‘C’ & ‘D’ Staff Recruitment Scam by the officials of WBCSSC in the State of West Bengal, held in the name of Prasanna Kumar Roy, the main middleman, his wife Smt.…
— ED (@dir_ed) October 26, 2024
নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে আরও গভীরে যান তদন্তকারীরা। তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে চাকরি পাওয়া দেওয়ার নামে কেলেঙ্কারি হয়েছে, এবং তাতে প্রসন্ন কীভাবে জড়িত সেই সংক্রান্ত তথ্যও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে আসে। একাধিক অ্যাকাউন্টের খোঁজ আসে। যেখানে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আর তা নিয়ৈগ দুর্নীতির বলেই দাবি।












Click it and Unblock the Notifications