নিয়োগ দুর্নীতির চার্জশিটে একাধিক জায়গাতে নাম! মানিককে ম্যারাথন জেরা ইডির
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে নয়া মোড়! মানিক ভট্টাচার্যকে ম্যারাথন জেরা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। মঙ্গলবারই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দেয় তদন্তকারী সংস্থা। যেখানে একাধিক জায়গাতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে নয়া মোড়! মানিক ভট্টাচার্যকে ম্যারাথন জেরা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। মঙ্গলবারই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দেয় তদন্তকারী সংস্থা। যেখানে একাধিক জায়গাতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির নাম রয়েছে।

এমনকি তিনি যে টাকা তুলছেন সে বিষয়েও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে যে এসএমএস করা হয়েছিল সেই সমস্ত তথ্যও এনফোর্সমেন্ট আধিকারিকদের কাছে আছে বলেই খবর। আর এই সমস্ত তথ্যের বিষয়ে জানতেই তৃণমূল বিধায়ককে তলব করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।
প্রায় ৭ ঘন্টা হয়ে গিয়েছে এখনও তাঁকে জেরা তদন্তকারীরা করছেন বলেও খবর। ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, তদন্তে সেভাবে সহযোগিতা করছেন না মানিক ভট্টাচার্য। শুধু তাই নয়, একাধিক নথি দেখিয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, জমা দেওয়া চার্জশিটে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মূল ষড়যন্ত্রী হিসাবে দেখিয়েছে ইডি।
পাশাপাশি মানিকের বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডির তরফে জানা যাচ্ছে, মানিক ভট্টাচার্য জেলার সংসদ সভাপতিকে ফাঁকা 'মাস্টার শিট' সই করে পাঠিয়ে দিতে বলেছিলেন। শুধু তাই নয়, সাদা খাতায় শুধুমাত্র নাম ঠিকানা লিখেও অনেকে চাকরি পেয়েছে বলেও চার্জশিটে উল্লেখ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
এমনকি এর জন্যে মোটা টাকা নেওয়া হত। পুরো বিষয়টি তৎকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সবটাই জানতেন বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। একাধিক জেলার ক্ষেত্রেই ফাঁকা 'মাস্টার শিট' সই করে পাঠানো হয়েছে বলেও চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর।
কিন্তু কেন এভাবে সই করে ফাঁকা শিট পাঠানো হত? এই বিষয়েই সম্ভবত মানিককে এদিন ম্যারাথন ইডির জেরা বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও মানিক যে নিয়োগ নিয়ে টাকা তুলছে এই বিষয়ে পার্থ চট্টপাধ্যায়কে এসএমএস করে সতর্ক করা হয়েছিল। এমন চার্জশিটে দাবি ইডির। এই বিষয়েও তদন্তকারীরা বিধায়ককে জেরা করতে পারেন বলে খবর।
বলে রাখা প্রয়োজন, ইতিমধ্যে কয়েক দফায় মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করেছে সিবিআই। যদিও এরপর নাকি তাঁর খোঁজ তদন্তকারীরা পাচ্ছেন না বলেও খবর। আর সেদিকে তাকিয়ে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে। যদিও সবরকম ভাবে তদন্তে সাহায্য করছেন বলেই জানিয়েছেন পার্থ ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতা। এমনকি যত বার তদন্তকারীরা ডেকেছে ততবার গিয়েছেন বলেও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications