নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অয়ন শীলের ৩২টি অ্যাকাউন্টের হদিশ, কোটি কোটি টাকার লেনদেনের খোঁজ
নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার অয়ন শীলের ৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে ইডি। এই ৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট অয়ন শীলের পরিবারের লোকেদের নামে। এই অ্যাকাউন্ট গুলিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলকে গ্রেফতারির পর সিজার লিস্টে এই ৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তাঁরা।

৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ
পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মত নিয়োগ দুর্নীতির পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে এক একজনের নাম। অয়ন শীলকে গ্রেফতারের পর সিজার লিস্টে ইডির পক্ষ থেকে তাঁর ৩২টি অ্যাকাউন্টের তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেই অযাকাউন্টগুলির মাধ্যমেই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলের এই দুর্নীতি কাণ্ডে আর্থিক লেনদেনের ঘটনায় স্ত্রী, ছেলে, মা-বাবা থেকে শুরু করে ছেলের বান্ধবী এবং নিজের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তীর অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করেছেন।

কার কার নামে অ্যাকাউন্ট
অয়ন শীল তার পরিবারের প্রায় সকলের নামেই অ্যাকাউন্ট খুলে নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন স্ত্রী, ছেলে অভিজিৎ শীল থেকে শুরু করে মা, বাবা সদানন্দ শীল এমনকী ছেলের বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায় এবং নিজের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তীর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীেদর। সিজার লিস্টের সেই ৩২টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে রয়েছে অয়ন শীলের ২টি পেট্রোল পাম্পের অ্যাকাউন্টও।

টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার শ্বেতার
অয়ন শীলের অফিসে ইডি তল্লাসি হবে আগেই নাকি জানতে পেরেছিলেন তাঁর বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তী। কামারহাটি পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার শ্বেতা চক্রবর্তীর হন্যে হয়ে ঘুরছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ইডি তাঁকে তলব করেছে। গত কয়েকদিন নিখোঁজ থাকার পরে গতকাল অর্থাৎ বুধবার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্বেতা জানিয়েছেন তিনি অয়ন চক্রবর্তীর কাছ থেকে কোনও টাকা নেননি। ফ্ল্যাট কিনবেন বলে টাকা দিয়েছিলেন ৫৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু রেজিস্ট্রি না হাওয়ায় সেই টাকা আবার অয়ন শীল তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি
পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়ে গিয়েছে অয়ন শীেলর গ্রেফতারির পর। অয়ন শীলের সংস্থা এবিএস কোম্পানির মাধ্যমে একাধিক পুরসভায় চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে বলে জানতে পেরেছে ইডি। দক্ষিণ দমদম পুরসভা থেকে রাণাঘাট পুরসভা পর্যন্ত নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলের সংস্থা এবিএসের মাধ্যমে ৫ থেকে ৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুরসভায় চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications