ED attacked by TMC: ঘিরে ধরেছিল ৫০-৬০ জন, মেরে মাথা ফাটানো হল দুই ED অফিসারের, খোঁজ নেই কয়েকজনের
জঙ্গলরাজের নজির। সন্দেশখালিতে রক্তারক্তি অবস্থা। টিএমসি নেতা শাহজাহান আলির বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে ভয়ঙ্করভাবে আক্রান্ত হলেন ইডির অফিসাররা। ইডি আধিকারীকদের ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। দুই ইডি অফিসারের মাথা ফেটে গিয়েছে। কয়েকজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
দিশেহারা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। তাঁরা কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। কার্যত অসহায় অবস্থায় দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বাসন্তী হাইওয়ের উপরে ইডির গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বেশ কয়েকজন ইডি আধিকারিক পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না এখনও।

ইতিমধ্যেই সল্টলেক থেকে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হয়েছে ঘটনাস্থলে। কিন্তু সেই নজিরবিহীন ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও পুলিশের খোঁজ পাওয়া যায়নি ঘটনাস্থলে। ইডি অফিসরা মরিয়া হয়ে বারবার পুলিশকে ফোন করলেও তাদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাসন্তী হাইওয়ের উপরে এখনও ইডি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি ভাঙচুর করা অবস্থায় পড়ে রয়েছেন।
খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে বেশ কয়েকজন সংবাদ মাধ্যমের কর্মী। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর করে মারধর করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। তাঁদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভেঙে দেওয়া হয় মোবাইল ফোনও। রক্তাক্ত অবস্থায় সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের মারধর করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তালা ভাঙতে গেলে তাঁর অনুগামীরা ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ইডির অফিসারদের। মহিলারা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা েনয় গোটা এলাকা। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ইডির উপরে হামলা চালানোর ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
অভিযোগ পরিকল্পনা করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। রেশনদুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ নেতা শেখ শাহজাহান। এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা তিনি। তাঁর কথা ছাড়া নাকি সন্দেশখালিতে একটি পাতাও নড়ে না। এলাকায় নবাব নামেই বেশি পরিচিত শেখ শাহজাহান। জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তিনি। আগে পুরসভার চেয়ারম্যান পদেও ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। একসময় নাকি বাম সমর্থক ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে তিিন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদেন।
শেখ শাহাজাহান নাকি একাধিক বেআইনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তিনি নাকি মাদক পাচারও করেন বলে তদন্তে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সন্দেশখালির একাধিক ইটভাটা এবং ভেড়ির মালিক তিনি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টেলিফোনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন পুরো ঘটনা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। অমিত শাহের েডপুটি নিশীথ প্রামাণিক ঘটনার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন। এবং কেন্দ্র বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications