১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ! 'ভুল হয়েছে' স্বীকার করে সালিশি সভায় মুচলেকা তৃণমূল কংগ্রেস নেতার
১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ! 'ভুল হয়েছে' স্বীকার করে সালিশি সভায় মুচলেকা তৃণমূল কংগ্রেস নেতার
দুর্নীতির অস্ত্রে শান দিয়ে চলেছে বিজেপি। সুযোগ হাতছাড়া করতে নারাজ। পূর্ব বর্ধমানে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে লাখ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ শাসক দলের নেতার বিরুদ্ধে। সালিশি সভায় ডেকে চেপে ধরতে উগরে দিলেন নিজের কীর্তি। শেষে চাপের মুখে মুচলেকা দিেত হল কাটোয়ার ছোট মেইগাছি গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্যকে।

১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি
১০০ দিনের কাজের টাকা দুর্নীিতর অভিযোগ উঠল কাটোয়ার মেইগাছি গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগ গ্রামের একজনকেও ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হয়নি, অথচ কাজ দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই তোলপাড় চলছিল গ্রামে।

সালিশি সভায় মুচলেকা
করোনায় কাজের সংকটে সকলেই ১০০ দিনের কাজ করতে চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে গ্রামে কোনও কাজ আসছে না দেখে সন্দেহ হয়েছিল গ্রামবাসীদের। শেষে সালিশি সভায় ডেকে পাঠানো হয় তৃণমূল পঞ্চায়েক সদস্য পার্থ ঘোষকে। তাঁরা জানান ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে জব কার্ড থাকলেও একটিও ১০০ দিনের কাজ পাননি গ্রামবাসীরা। কিন্তু পঞ্চায়ে অফিস থেকে মজুরি তোলা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে চেপে ধরতেই দুর্নীতির ঘটনা প্রকাশ্যে এসে পড়ে। শেষে গ্রামবাসীদের সামনে মুচলেকা দিতে বাধ্য হন তিনি।

দুর্নীতির কথা স্বীকার
তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য পার্ষ ঘোষ গ্রামবাসীদের চাপে দুর্নীতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিজে এব পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ১২ জন জব কার্ডের নামের তালিকায় ঢুকিয়ে ১০০ দিনের কাজের মজুরির টাকা তুলেিছলেন তিনি। তার পরেই ভুল হয়েছে বলে মুচলেকা দেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা।

ব্যবস্থা নেওয়া হবে
একুশের ভোটের আহে দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে দুর্নীতি নিয়ে করা নির্দেশ দিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাটোয়ার বিধায়ক জানিয়েছে দোষ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও একাধিক জায়গায় রেশন এবং ত্রাণের টাকার দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা এবং কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications