জলের তোড়ে ভাঙল দুর্গাপুর ব্যারেজের গেট, হু-হু শব্দে ‘নদী’ ঢুকে পড়ল গ্রামে
আচমকাই দুর্গাপুর ব্যারেজের এই প্রধান ফটকটি ভেঙে যাওয়ায় হু-হু করে জল বেরিয়ে যেতে থাকে। আস্ত নদী ঢুকে পড়ল গ্রামে।
সংস্কারের অভাবে ভেঙে গেল দুর্গাপুর ব্যারেজের এক নম্বর লকগেট। শুক্রবার সকালে বর্ধমানের দুর্গাপুরে এই ঘটনায় তীব্র উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। আশঙ্কা তৈরি হয় লকগেট ভেঙে যাওয়ায় বর্ধমানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ছাড়াও হুগলি, বাঁকুড়ার বেশ কয়েকটি এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে।

এদিন সকালে আচমকাই দুর্গাপুর ব্যারেজের এই প্রধান ফটকটি ভেঙে যাওয়ায় হু-হু করে জল বেরিয়ে যেতে থাকে। অভিযোগ, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই ভেঙে পড়েছে গেটটি। দীর্ঘদিন দামোদরের পলি সংস্কার না হওয়াতেই এই বিপত্তি। ফলে জলের চাপ রাখতে পারেনি গেটটি। এই দুর্ঘটনার পর অবশ্য কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় গেট মেরামতের তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
মূলত দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে পানীয় জল সরবরাহ, কলকারখানার কাজ ও কৃষিতে সেচের জন্য এই জল ধরে রাখা হয়। সেই জলই বেরিয়ে গিয়ে জলমগ্ন করে দেয় বিস্তীর্ণ এলাকা। খবর পাওয়া মাত্রই তড়িঘড়ি সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, সত্বর গেট মেরামত করে জল আটকাতে হবে। এর পাশাপাশি তিনি এলাকাবাসীকে আশ্বাস দিয়েছেন, চিন্তার কোনও কারণ নেই। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শেষ করা হবে।
মন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে চটজলদি ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্য বাস্তুকার ও অন্যান্য আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে যান বিধায়কর তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্গাপুরের মহকুমা শাসকও পৌঁছে যান ঘটনাস্থলে। তাঁর ব্যাখ্যা, এবার প্রচুর বৃষ্টির চাপ নিয়েছে এই ব্যারাজ। ফলে সেই সময় থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত ছিল গেট। তিনিও আশ্বাস দিয়েছেন, এ জন্য চিন্তার কোনও কারণ নেই। দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications