প্রতিমা হয় একচালার! চামুণ্ডার পুজো হয় জয়রামবাটির আশ্রমে
১৯৮৮ সালে জয়রামবাটির রামকৃষ্ণ সারদা মঠ ও মিশনে দুর্গা পুজোর সূচনা হয়। জানা যায়, স্বামী শিবরূপানন্দ মহারাজ এই পুজোর সূচনা করেছিলেন। এখানকার প্রতিমা হয় এক চালার। পুজো হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে।
১৯৮৮ সালে জয়রামবাটির রামকৃষ্ণ সারদা মঠ ও মিশনে দুর্গা পুজোর সূচনা হয়। জানা যায়, স্বামী শিবরূপানন্দ মহারাজ এই পুজোর সূচনা করেছিলেন। এখানকার প্রতিমা হয় এক চালার। পুজো হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে। তবে জয়রামবাটিতে পুজোর সূচনা হয়েছিল মাতৃমন্দিরে।

জয়রামবাটিতে পুজোর ইতিহাস
এখানকার শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা মঠ ও মিশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। এই বছরেই রাসযাত্রার সময় শ্রীরামকৃষ্ণ, সারদা ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়।
জয়রামবাটিতে মা সিংহবাহিনী থাকায় সেখান প্রতিমা পুজোা নিষিদ্ধ ছিল। জানা যায়, মা সারদা বলেছিলেন, আগে সিংহবাহিনীর পুজো দিয়ে পরে ঘট বসাতে হবে। আর যাঁরা সংসার ত্যাগী তাঁরা এই পুজো করতে পারেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

প্রতিমা হয় একচালার
জয়রামবাটির প্রতিমা হয় এক চালার। পুজো হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে।

পুজোর বৈশিষ্ট্য
প্রতিষ্ঠিত টবে বেলশাখার মাধ্যমে ষষ্ঠীর দিন বেদীর বোধন হয়ে থাকে। সপ্তমীতে দেবীর স্নান হয় মণ্ডপেই। ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত চলে চণ্ডীপাঠ। নিয়ম মেনে ভোগ নিবেদন করা হয় পুজোর সবকটি দিন। সপ্তমী, অষ্ঠমী আর নবমীতে যাঁরা সেখানে যান, তাঁদের সবাইকে বসিয়ে ভোগ খাওয়ানো হয়।

অষ্টমীতে কুমারী পুজো
জয়রামবাটির রামকৃষ্ণ সারদা মঠ ও মিশনেও কুমারী পুজো হয়ে থাকে। স্থানীয় ৫ থেকে ৭ বছরের বালিকাদের মধ্যে থেকেই কুমারী পুজোর জন্য বেছে নেওয়া হয়।

সন্ধিপুজোতে কুশমণ্ড বলি
সন্ধিপুজোতে কুশমণ্ড বলি দেওয়া হয়। হয় চামুণ্ডার পুজো।

বিসর্জন নিজস্ব পুকুরে
প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় দশমীতেই। আর সেই বিসর্জন হয় মঠের নিজস্ব পুকুরে। বিসর্জনের পর চলে লাড্ডু বিলি।












Click it and Unblock the Notifications