দেবীকে দেখতে হয় বেলুড় মঠের মতোই! কামারপুকুরে মহাপ্রসাদ যায় ধর্মঠাকুরের মন্দির থেকে
কামারপুকুরে কবে থেকে দুর্গা পুজোর শুরু, তা সঠিকভাবে জানা না গেলেও, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫২ কিংবা ১৯৫৩ সালে এখানে পুজোর শুরু হয় বলে জানা যায়।
কামারপুকুরে কবে থেকে দুর্গা পুজোর শুরু, তা সঠিকভাবে জানা না গেলেও, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫২ কিংবা ১৯৫৩ সালে এখানে পুজোর শুরু হয় বলে জানা যায়। বেলুড় মঠের প্রতিমা যিনি তৈরি করেন, তিনিই কামারপুকুরের প্রতিমাও তৈরি করেন। কামারপুকুরের মূর্তি বেলুড়ের মতোই দেখতে হয়। হালদার পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় সন্ধ্যারতির পর। পুজো হয় বৈদিক মতে।

মন্দির ও পুজোর ইতিহাস
জানা যায়, কামারপুকুরের মন্দির তৈরির পর বিগ্রহের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৫১ সালের ১১ মে। তবে মন্দির প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫২ কিংবা ১৯৫৩ সালে এখানে পুজোর শুরু হয় বলে জানা যায়। প্রথম শুরু হওয়া কাঠামো সংস্কার করেই প্রতিবারের পুজোর আয়োজন করা হয়। প্রতিমা গড়া হয় দুর্গা মণ্ডপেই। প্রথমের দিকে পুজো হত শ্রী রামকৃষ্ণের গর্ভমন্দির সংলগ্ন নাটমন্দিরে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য তা সরানো হয় দুর্গা মণ্ডপে।

ষষ্ঠীতে হয় কল্পারম্ভ
ষষ্ঠীর দিন সকালে কল্পারম্ভ হয় কামারপুকুরের মন্দিরে। সন্ধেয় হয় আমন্ত্রণ অধিবাস।

হালদার পুকুরে নবপত্রিকা স্নান
রামকৃষ্ণ এবং সারদা দেবী যে পুকুরে স্নান করতেন সেই হালদার পুকুরে নবপত্রিকা স্নান করানো হয়। এই হালদার পুকুরের অবস্থান কামারপুকুর মঠের বিপরীত দিকে।

কামারপুকুরেও কুমারী পুজো
কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠেও কুমারী পুজো হয়ে থাকে। সাধারণত স্থানীয় ৫ থেকে ৬ বছরের বালিকাদের মধ্যে থেকেই কুমারী পুজোর জন্য বেছে নেওয়া হয়।

বৈদিক মতে পুজো
এখানকার পুজো হয় বৈদিক মতে। প্রতিবছরই বেলুড় মঠ থেকে মহারাজরা কামারপুকুরে যান।

প্রতিমাকে নিবেদন করা হয় মহাপ্রসাদ
এখানে প্রতিমাকে আমিষ ভোষ নিবেদন করা হয়। বেলুড়ের প্রতিমার কাছে যেমন কালীঘাটের মহাপ্রসাদ যায়, কামারপুকুরের মহাপ্রসাদ যায় ধর্মঠাকুরের মন্দির থেকে।












Click it and Unblock the Notifications