Heat Wave: ফের কি ছুটি পড়বে স্কুলে, তীব্র দহনে বাড়ছে অনুপস্থিতির হার, কী ভাবছে শিক্ষা দফতর
গরমে হাসফাঁস পরিস্থিতি। গলদঘর্ম দশা গোটা রাজ্যের। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছে। জৈষ্ঠের গরম হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিচ্ছে। আপাতত রেহাই নেই। তবে আষাঢ়ের প্রথমে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।
তীব্র গরমে পুড়ছে বাঁকুড়া সহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ। এর মধ্যেই দীর্ঘ গ্রীষ্মাবকাশ শেষে খুলে গেছে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি। কিন্তু তীব্র দাবদাহে চরম অস্বস্তিতে ছাত্র ছাত্রী থেকে শিক্ষক সকলেই। এই অবস্থায় তাঁদের প্রত্যেকের তরফেই 'মর্নিং সেকশানে' স্কুল চালু রাখার দাবি জোরালো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমান ছিল ৭৩ শতাংশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রার পারদ আরও চড়বে বলে হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে।
যা পরিস্থিতি তাতে বেশিরভাগ স্কুলেই ছাত্র ছাত্রীর উপস্থিতির সংখ্যা হাতে গোনা। তীব্র দাবদাহের কারণে অনেক অভিভাবকই তাঁদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চাইছেননা। ওন্দার ছোটো কুর্পা হাই স্কুরের ছাত্র ছাত্রীদের দাবি, প্রচণ্ড গরমে স্কুলে আসাই জটিল। এই অবস্থায় মর্নিং সেকশানে পঠন পাঠন শুরু হলে কিছুটা হলেও সুবিধা হতো বলে তারা জানিয়েছে।
ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সত্যনারায়ণ রুইদাস বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্র ছাত্রী-অভিভাবকদের তরফেও 'মর্নিং সেকশানে' পঠন পাঠন চালুর দাবি জানানো হয়েছে। সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
বাঁকুড়া গার্লস প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অনুভা দত্ত বলেন, সরকারী নির্দেশিকা মেনেই স্কুল খোলা হয়েছে। তবে ছাত্রীদের উপস্থিতির হার যথেষ্ট কম, তীব্র গরমে কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে গ্রীষ্মের ছুটি আরও কয়েকটা দিন বাড়ালে ভালো হতো বলে তিনি জানান।












Click it and Unblock the Notifications