মমতার উদ্যোগে সাধারণের দরজায় চিকিৎসা পরিষেবা! দুয়ারে সরকারে মিলবে ভ্যাকসিনও

গোটা দেশেই ক্রমশ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। আর এর মধ্যে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট ঘিরে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। শুধু তাই নয়, জেলার কয়েকটি জায়গাতে রীতিমত ভয়াবহ হচ্ছে সা

গোটা দেশেই ক্রমশ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। আর এর মধ্যে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট ঘিরে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। শুধু তাই নয়, জেলার কয়েকটি জায়গাতে রীতিমত ভয়াবহ হচ্ছে সাব-ভ্যারিয়েন্টের এই সংক্রমণ।

দুয়ারে সরকারে মিলবে ভ্যাকসিনও

এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে করোনার ভ্যাকসিনেশনেই জোর দিতে বলছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ইতিমধ্যে বুস্টার ডোজও দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেখা গিয়েছে এখনও বহু মানুষ করোনার দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি। আর সেখানে দাঁড়িয়ে কার্যত যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনের।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্যাম্প কিংবা সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ বিভিন্ন জায়গাতে করোনার ভ্যাকসিন দিচ্ছে রাজ্য। কিন্তু লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হবে এই অনীহাতে অনেকেই ভ্যাকসিন নিতে যাচ্ছেন না। এমনকি সময় হয়ে গেলেও করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্বিতীয় ভ্যাকসিন নেননি।

আর সেখানে দাঁড়িয়ে দুয়ারে সরকার প্রকল্পে স্বাস্থ্য দফতরকে যুক্ত করা হল। আর তা করায় এবার থেকে দুয়ারে সরকারে প্রকল্পে ভ্যাকসিনও দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা অজয় চক্রবর্তী জানিয়েছনে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে স্বাস্থ্যদফতরকে। আর এরফলে এলাকার কোনও একটি ক্লাব বা সংগঠন বা পঞ্চায়েত অফিসে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে যাওয়া হবে। যাঁরা এখনও করোনার প্রথম, দ্বিতীয় ডোজ পাননি।

তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি দেখিয়ে টিকা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা। এর ফলে মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়াতে হবে না বলে দাবি। এতে ভ্যাকসিনেশনে গতি আসবে বলেও দাবি চিকিৎসকদের।

ভ্যাকসিন ছাড়াও আরও বেশ কিছু সুবিধা পাবেন রাজ্যের মানুষ। অনেক সময়ে টাকা কিংবা অন্য সমস্যার কারনে এক্স-রে কিংবা অন্যান্য চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে হয় মানুষকে। এই অবস্থায় যাঁদের চোখের সমস্যা বা ছানি রয়েছে বা এক্সরে বা ইসিজি করতে হবে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা অজয় চক্রবর্তী।

এই বিষয়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা সবরকম ভাবে সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু কীভাবে?

স্বাস্থ্য অধিকর্তার কথায়, কোনও একটি দিনে ওই ব্যক্তিকে স্বাস্থ্য কর্মীরাই স্থানীয় কোনও হাসপাতাল কিংবা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। চিকিৎসকের থেকে পরামর্শ নেওয়া হবে। সেই মতো সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া বলে জানিয়েছেন অজয়বাবু। এমনকি ওষুধ পর্যন্ত কিনে নেওয়া হবে ওই রোগীকে। এতে সাধারণ মানুষ দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন বলে মনে করা হছে। শূধু তাই নয়, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে একেবারে সাধারণ মানুষের একেবারে দরজায় পৌঁছে দেওয়া যাবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে 'পাড়ায় সমাধান' কর্মসূচি। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই কর্মসূচি শুরু হবে। আর তা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। করোনা পরিস্থিতিতে এই পরিষেবা পিছিয়ে যায়। জানুয়ারি মাসের শুরুতে এই পরিষেবা শুরু হওয়ার কথা ছিল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+