RG Kar নিয়ে রাজনীতি করবেন না, আদালতে কোন ঘটনায় এই কথা বললেন প্রধান বিচারপতি
আরজি কর নিয়ে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানি। সেখানেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় সিবিআই-এর আইনজীবী তথা দেশের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী কপিল সিবালের মধ্যে।
কপিল সিবাল বলেন, যাতে উস্কানিমূলত বিবৃতি না দেওয়া হয়, তার জন্য আদালতকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জবাবে সিবিআই-এর আইনজীবী তুষার মেহতা বলেন, কেউ কোনও বিবৃতি দেবেন না। কিন্তু তাদের কাছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক মন্ত্রীর বিবৃতি রয়েছে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু বললেন আঙুল কেটে ফেলা হবে। সেই সময় কপিল সিবাল বলেন, তিনি তাহলে বিরোধী নেতার বক্তব্য পড়বেন। যেখানে তিনি বলেছেন, গুলি ছোড়া হবে।

কী বললেন প্রধান বিচারপতি
এই সময় প্রধান বিচারপতি বলেন দয়া করে রাজনীতি করবেন না। আইন তার নিজের পথে চলবে। তিনি আরও বলেন, সবাই নিশ্চিত দ্রুত ও দক্ষ তদন্তের পরে আইন তার পথ গ্রহণ করবে।
আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ।
রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি
আরজি করের ঘটনা নিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এদিনও বিক্ষোভ দেখায় স্বাস্থ্যভবনের কাছে। তারা ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেছে। অন্যদিকে শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
কী বলছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ
বেঞ্চের অপর বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, মামলাটি মর্মান্তিক। গত ৩০ বছরে এমন ঘটনা দেখেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন পুরো বিষয়টিই চমকপ্রদ। আর বাংলার পুলিশের আচরণ লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, তারা চিকিৎসকদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সেখানে তাঁরা শুধু নির্দেশিকা কৈরি করতে যাচ্ছেন না, একটি প্রযোগযোগ্য দিক নির্দেশ করতে যাচ্ছেন।
এদিন শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফিরতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কাজে ফিরুন, এক্ষেত্রে কোনও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। একইসঙ্গে তিনি চিকিৎসকদের একটানা ৩৬ ঘণ্টা ডিউটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এদিন সওয়াল জবাবের সময় প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়েন রাজ্য সরকারের আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, সকাল ১০.১০-এ অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। আর অপরাধের এলাকা সুরক্ষিত করা হয়েছে ১১.৩০-এ।
প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, যদি সন্ধে সাড়ে ছটা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে ময়নাতদন্ত হয়, তাহলে রাত ১১.৪৫-এ এফআইআর কেন?












Click it and Unblock the Notifications