মুকুল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন! জল্পনার মাঝে উঠে এল যে বার্তা
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিয়েই তাঁকে দলে নেওয়ার প্রতিদান দিয়েছেন। কিন্তু বিনিময়ে পাননি কিছুই। কেটে গিয়েছে আড়াই বছর। পদহীন, স্বার্থহীন কাজ করে চলেছেন। শুধু লক্ষ্য আছে একটা। মমতাকে হারানো!
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিয়েই তাঁকে দলে নেওয়ার প্রতিদান দিয়েছেন। কিন্তু বিনিময়ে পাননি কিছুই। কেটে গিয়েছে আড়াই বছরের বেশি। পদহীন, স্বার্থহীন কাজ করে চলেছেন। শুধু লক্ষ্য আছে একটা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো! এমন লক্ষ্য নিয়ে যিনি বিজেপিতে রয়েছেন, তিনি কি তৃণমূলে ফিরতে যোগাযোগ করতে পারেন? জল্পনা কিন্তু জোরদার হয়েছে, জোরদার হচ্ছেও ক্রমশ।

মুকুল রায় কি যোগাযোগ করেছেন তৃণমূলের সঙ্গে?
মুকুল রায় নাকি যোগাযোগ করেছেন তৃণমূলের সঙ্গে। তিনি ফিরতে চান তৃণমূলে- এই বাসনা নিয়ে তিনি নাকি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন একাধিকবার। মে মাসে আবার জুন মাসেও তিনি বৈঠক করেছেন তৃণমূলের নেতৃত্বের সঙ্গে। যদিও এই বৈঠকের খবরকে স্রেফ রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। এমনকী তৃণমূল নেতৃত্বও স্রেফ গুজব বলেছেন এই বৈঠককে।

মুুকুলকে নিয়ে রটনা, ভরসা অটুট বিজেপিতে
মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে নিয়ে বাজে কথা রটানো হচ্ছে। তিনি বিজেপিতে ঠিকই আছেন। বিজেপি নেতৃত্ব তাঁর উপর ভরসা করছেন। বিজেপিতে তিনিই নির্বাচনী লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু। তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের গল্প ফাঁদা হচ্ছে এসবই মিথ্যা। তিনি সংগঠনকে মজবুত করার কাজ করে চলেছেন।

পদে কোনও আগ্রহ নেই, নিশানা লক্ষ্যে
মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি কোনও পদ চান না। বিজেপিতে তিনি পদের জন্য আসেননি। তাঁর লক্ষ্য একটাই বাংলা থেকে মমতার শাসন উৎখাত করা। সেই কাজ তিনি করতে চান। বিজেপি যদি তাঁকে পদ দেয় তাতে তাঁর আপত্তি নেই। কিন্তু তাঁর পদে কোনও আগ্রহ নেই।

মুকুলকে নিয়ে জল্পনা, জবাব বিজেপির
সম্প্রতি মুকুল রায়কে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। তাঁকে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী করা হবে। মুকুল রায় দিল্লি যাওয়া থেকেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব পাওয়া নিয়ে জল্পনার পারদ আরও চড়ে। জল্পনা শুরু হয় মুকুল রায়কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব দেওয়ার জন্যই ডেকে পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। তিনি বৈঠক সেরে ফেরার পর ফের নানা রটনা করা হচ্ছে। মুকুলের অবস্থান অটুট আছে বিজেপিতে। তিনি যদি কোনও তৃণমূল নেতার সঙ্গে বৈঠক করে থাকেন, তবে তাঁকে বিজেপিতে যোগদান করানোর জন্যই ওই বৈঠক ছিল, তাঁর তৃণমূলে ফেরার জন্য নয়, এমনই ব্যাখ্যা বিজেপির একাংশের।

কৌশল নির্ণয় করতেই তাঁর দিল্লি যাওয়া মুকুলের!
উল্লেখ্য, অমিত শাহের ভার্চুয়াল সমাবেশের আগেই মুকুল রায় দিল্লি গিয়েছিলেন। বিশ্বস্তু সূত্রের খবর দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে জরুরি সভাও করেছেন। সেখানে ২০২১ নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই চালানো যায়, তার রূপরেখা তৈরি হয়েছে। কৌশল নির্ণয় করতেই তাঁর দিল্লি যাওয়া।

মুকুল রায়কে দরকার বিজেপির, মুকুলেরও
মুকুল রায়ের যেমন বিজেপিকে দরকার, তেমনই বিজেপিরও দরকার তাঁকে। কেননা মুকুল রায়ই পারেন তৃণমূলের কোমর ভেঙে দিয়ে বিজেপিকে বাংলার শাসন ক্ষমতায় বসাতে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তাঁর অনুগামীরা পদ পেয়ে গেলেও তিনি এখনও কোনও পদ পাননি। আড়াই বছর পরে তিনি শুধু বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।












Click it and Unblock the Notifications