২৪ কিংবা ২৫ এর ভিড়ের কারণে কলকাতায় করোনার থার্ড ওয়েভ নয়! তাহলে কী বলছেন বাংলার চিকিৎসকরা?

কার্যত ঝড়ের গতিতে বাংলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রনও। প্রায় প্রত্যেকদিনই কয়েক হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পরিস্থিতি যা তাতে বিপদের আশঙ্কাই দেখছেন চিকিৎসকরা। শুধু তাই নয়, চলতি মাসেই হয়তো সংক্রমণের শী

কার্যত ঝড়ের গতিতে বাংলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রনও। প্রায় প্রত্যেকদিনই কয়েক হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পরিস্থিতি যা তাতে বিপদের আশঙ্কাই দেখছেন চিকিৎসকরা। শুধু তাই নয়, চলতি মাসেই হয়তো সংক্রমণের শীর্ষে বাংলা পৌঁছে যাবে। এমনটাই আশঙ্কা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

তাহলে কী বলছেন বাংলার চিকিৎসকরা?

আর এজন্যে প্রশাসনের একাংশের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়ই কলকাতা সহ বাংলাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলেও দাবি চিকিৎসকদের একাংশের।

ডক্টর অনিমা হালদার সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে জানান, গত পাঁচদিনের যদি সংক্রমণের ছবি দেখা যায় তাহলেই স্পষ্ট হবে যে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়েছে করোনার থার্ড ওয়েভ। যদি এই রাজ্যের ছবিটা ভালো করে বিশ্লেষণ করা যায় তাহলে দেখা যাবে শুধুমাত্র কলকাতায় সংক্রমণ ১২ গুন বেড়ে গিয়েছে। প্রত্যেক তিন জনের মধ্যে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ছে বলেও দাবি তাঁর।

ডক্টর অনিমা হালদার Infectious Diseases and Beliaghata জেনারেল হাসপাতালে প্রিন্সিপাল হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। ফলে তাঁর এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

শুধু তিনিই নয়, অনিমাদেবীর সঙ্গে কার্যত একমত বহু চিকিৎসকও। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই করোনার বিরুদ্ধে একেবারে সামনে থেকে লড়াই করেছেন তিনি। তবে রাজ্যে করোনার এই বাড়বাড়ন্তের জন্যে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়কেই দায়ী করেছেন সঞ্জীববাবু।

যদিও তাঁর মতে, ডিসেম্বর ২৪ এবং ২৫ ডিসেম্বর পার্কস্ট্রিটে ভিড়ের কারনে এই ঘটনা ঘটেনি। কিংবা নতুন বছরে মানুষের ভিড়ও এর জন্যে দায়ী নয়। কার্যত বাংলায় এই 'করোনা-বিস্ফোরণে'র জন্যে দায়ী দীর্ঘদিনের গা ছাড়া মনোভাব। ওই সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কার্যত এমনটাই বোঝাতে চেয়েছেন ডাক্তারবাবু।

তবে কড়া মনোভাব-বিধি নিষেধ চলে তাহলে অবশ্যই এর ফল পাবো। তবে এই ছবি মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়, যেখানে পুলিশ মানুষকে মাস্ক পড়ার জন্যে আবেদন করছে। এর জন্যে কড়া নিয়ন্ত্রনের কথা বলছেন বর্ধমান মেডিক্যালের এই চিকিৎসক।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই স্বাস্থ্যভবনের এক পর্যবেক্ষণে বাংলায় থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়ার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়। প্রত্যেকদিন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। আর সেখানে দাঁড়িয়ে চিকিৎসকদের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে আজ মঙ্গলবার কলকাতায় চিকিৎসকদের একাংশ সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্যে বলেন। পাশাপাশি থার্ড ওয়েভ রোখার জন্যে ডাক্তাররা যে প্রস্তুত তা স্পষ্ট করে দেন তাঁরা। তবে সাধারণ মানুষকে জমায়েত না করার জন্যে বলেন। পাশাপাশি মাস্ক পড়ার আবেদন করেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+