" হতাশ, বিরক্ত", স্বাস্থ্য ভবনের বৈঠক শেষে বললেন সিনিয়র চিকিৎসকরা
স্বাস্থ্য ভবনে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সিনিয়র চিকিৎসক সংগঠনগুলির বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেন চিকিৎসকরা। সরকার কোনও নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি এদিন বৈঠকে দেয়নি। দেখছি, দেখব - এই মনোভাব রেখেছে। এমন কথাই জানালেন চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য ভবনে আজ সোমবার দুপুরে দীর্ঘ বৈঠক হয় সরকারের সঙ্গে চিকিৎসক সংগঠনগুলির। বৈঠক শেষে চিকিৎসকরা বেরিয়ে আসেন। এদিনের বৈঠকে তাঁরা, "হতাশ, বিরক্ত"। এই কথা বললেন সিনিয়র চিকিৎসকরা। জুনিয়র চিকিৎসকরা অনশন আন্দোলন করছেন৷ সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট বক্তব্য সরকারের থেকে পাওয়া যায়নি। এই কথাও জানলেন তাঁরা।

জুনিয়র চিকিৎসকরা অনশন করছেন। ১০ দিন পড়েছে তাঁদের এই অনশন কর্মসূচি। সরকারের কাছে এই বিষয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে। ১০ দফা দাবির কথা এদিন বলেছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আশানুরূপ কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমন কথাই বললেন সিনিয়র চিকিৎসকরা।
এদিন বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বাস্থ্য আধিকারিকরা ছিলেন। সিনিয়র চিকিৎসকরা সরকারি হাসপাতালের পরিস্থিতি, দুর্নীতি থ্রেট কালচার, অভয়াকাণ্ড সম্পর্কে বক্তব্য রেখেছেন। হাসপাতালের দুর্নীতি ও থ্রেট কালচার সম্পর্কে চিকিৎসকরা তথ্য দিয়েছেন। আরজি কর হাসপাতালে অভয়া কাণ্ডের বিষয়ও চিকিৎসকরা সরকারকে বার্তা দিয়েছেন।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকরা। আরজি কর কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাছাড়াও আন্দোলনকারীদের প্রতি বিরূপ মনোভাব রাখছে পুলিশ। তাদের আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। দমিয়ে রাখার চেষ্টা হচ্ছে। এমন অভিযোগও করা হয়েছে।
সরকারের তরফ থেকে আধিকারিকরা চিকিৎসকদের বক্তব্য শুনেছেন। কিন্তু পরিষ্কার কোনও বার্তা তাদের থেকে পাওয়া যায়নি। জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফেরার কথা বলেছে সরকার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুর্নীতিগ্রস্তরা চেয়ারে বসে রয়েছে। থ্রেট কালচার চলছে। সেখানে অন্যান্য চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
চিকিৎসকদের তরফ থেকে দ্রোহের কার্নিভাল আয়োজন করা হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্য সচিবকে সেই কার্নিভালে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications