লোকসভায় ‘টার্গেট-২২’ বিজেপির! প্রত্যয়ী দিলীপ ‘ব্লু-প্রিন্ট’ পাঠালেন কেন্দ্রীয় সভাপতিকে
পঞ্চায়েতের ফল থেকে অক্সিজেন তো পেয়েছেই, আত্মবিশ্বাসেও টগবগ করছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রত্যয়ী মন্তব্যেই তা প্রমাণিত।
পঞ্চায়েতের ফল থেকে অক্সিজেন তো পেয়েছেই, আত্মবিশ্বাসেও টগবগ করছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রত্যয়ী মন্তব্যেই তা প্রমাণিত। তিনি এখন বলছেন, ২০১৯-এ রাজ্যে ২২টি আসন পাবেন। না, শুধু কথার কথা নয়, প্রত্যয়ী দিলীপ ঘোষ এই কথা জানিয়ে দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহকেও।

পঞ্চায়েতের ফলাফলের পর দিলীপ ঘোষ জানান, রাজ্যের ২২টি লোকসভা কেন্দ্রকে তাঁরা টার্গেট করেছেন। সেই কেন্দ্রগুলিতে জয়ের ব্যাপারে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী। এখন থেকে তাই কেন্দ্রগুলির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। ইতিমধ্যেই ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছেন রাজ্য সভাপতি। তা চুড়ান্ত করতে অমিত শাহের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন।
দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ২২টি লোকসভার অন্তর্গত যে ১৫৪টি বিধানসভা রয়েছে, সেই কেন্দ্রগুলিতে একজন করে নেতাকে নিয়োগ করতে হবে। তিনি সংগঠন জোরদার করার পাশাপাশি নির্বাচনের প্রচারে গতি আনবেন। তারপর প্রতিটি লোকসভায় রাখতে হবে একজন পর্যবেক্ষককে। মোট কথা ২২টি কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার সমস্ত কৌশন নিতে চলেছেন তিনি।
সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জয় ছিনিয়ে নিয়ে নিজেদের আত্মবিশ্বাস এক লাফে অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন। বিশেষ করে জেলা পরিষদের মতো বড় ক্ষেত্রেও প্রভাব বিস্তারের মতো ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের নির্বাচনী ফলে বিজেপি দারুন খুশি।
একইরকমভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিজেপির ফল প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছে নেতৃত্ব। রাজ্যের শাসকদল পঞ্চায়েত ভোটকে কার্যত প্রহসেন রূপান্তরিত করলেও, বিজেপির উত্থান ঠেকাতে পারেনি। আর এই উত্থানই পরবর্তী নির্বাচনগুলিতে জয়ের কড়ি জোগাড় করে দেবে বলে বিশ্বাস রাজ্য নেতৃত্বের।












Click it and Unblock the Notifications