পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ১৫ বছর আগেকার বিহারের মতো! নাম না করে মমতাকে নিশানা দিলীপের
পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ১৫ বছর আগেকার বিহারের মতো! নাম না করে মমতাকে নিশানা দিলীপের
তৃণমূলের (Trinamool Conggress) শাসনে রাজ্যে পরপর তিন দিনে খুন দলেরই তিনজন সংখ্যালঘু নেতা। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। এদিন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) রাজ্যের পরিস্থিতিকে ১৫ বছর আগেকার বিহারের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন। নাম না করে তিনি বলেছেন, সরকারে থাকা নেতারা কাজ না করে কখনও গোয়া, কখনই দিল্লি, কখনও ত্রিপুরা করে বেরাচ্ছেন।

রাজনৈতিক খুন সারা বাংলায়
পরপর তিনদিন রাজ্যের তিন প্রান্তে তৃণমূলের তিনজন সংখ্যালঘু নেতা খুন। সর্বশেষ হাওড়ায়। এব্যাপারে এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক খুন সারা বাংলায় হচ্ছে। জঙ্গলরাজ চলছে। রাজনৈতিক খুন সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ১৫ বছর আগেকার বিহারের মতো
দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ভবিষ্যত কী? তারপরেই তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ১৫ বছর আগেকার বিহারে চলে যাচ্ছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, এখন প্রশাসন বলে কিছু নেই। কিছু কিছু নেতা সুবিধা নিতে নিতে তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে, বলেছেন দিলীপ ঘোষ। এরা পয়সা তুলছে, পার্টিকে দিচ্ছে আর যা ইচ্ছা করে বেরাচ্ছে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছেন, তৃণমূলকে জিতিয়ে ভুল করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। কিন্তু সরকারের মাথারা কেউ গোয়া, কেউ দিল্লি, কেউ ত্রিপুরায়।

মানুষ জবাব দেবে
ত্রিপুরার ফল বিজেপি পাবে পশ্চিমবঙ্গে, মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মতো অনেকেই। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, অনেক ডায়লগ দিয়েছেন। ওসব ফালতু বলে লাভ নেই। তিনি বলেছেন, যারা হিংসার রাজনীতি শুরু করেছে, তারা হিংসাতেই পুড়বে। মানুষ সব কিছুর জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

চোখে পড়ার জন্যই লাফালাফি
দিলীপ ঘোষ ইকো পার্কে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা প্রাতর্ভ্রমণ করেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের স্লোগান লেখা গেঞ্জি পরে বেশ কয়েকজন আসছেন এবং দিলীপ ঘোষের উদ্ধে টিপ্পনি ছুঁড়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির সদর দফতর ঘেরাও করছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, সামনেই পুরসভার নির্বাচন। শীর্ষ নেতৃত্বের চোখে পড়াতেই এইসব করছে নেতারা। তিনি বলেছেন, এইসব করে রাজনীতি হয় না, সমাজেরও কোনও লাভ হয় না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, তৃণমূলের সব সিদ্ধান্ত হয় পার্টি অফিস থেকে। কিন্তু বিজেপি কর্মীরা পার্টি অফিসে যান দলের কাজ করতে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, তৃণমূলের নেতারা বলে আসলে চায়ের বন্দোবস্ত করা যায়।












Click it and Unblock the Notifications