তৃণমূলের ঘরে টাকা আসছে কোথা থেকে? বিস্ফোরক দাবি দিলীপ ঘোষের
তৃণমূলের ঘরে টাকা আসছে কোথা থেকে? বিস্ফোরক দাবি দিলীপ ঘোষের
তৃণমূলের ঘরে টাকা কোথা থেকে আসছে এই নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
তিনি অভিযোগ করেছেন সাংসদ তহবিলের টাকা আটকে রেখে সুদ খাচ্ছে রাজ্য সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া প্রায় ৭০ লাখ টাকা আটকে রাখা হয়েছে। তিনি আরও লিখেছেন টাকাটা আটকে রেখে সুদটা খাচ্ছে রাজ্য সরকার।

বিজেপি সাংসদদের সাংসদ তহবিলের টাকা আটকে রাখা হচ্ছে। প্রতিবছর এলাকার উন্নয়নের জন্য ৫ কোটি টাকা করে পান সাংসদরা। কিন্তু সেই টাকা আটকে রাখছে রাজ্য সরকার। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ তাঁর সাসংদ তহবিলের ৭০ লক্ষ টাকা আটকে রাখা হয়েছে। সেকারণে টাকা খরচ করতে পারছে না তারা। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ মেদিনীপুর-খড়গপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সাংসদ তহবিলের মেদিনীপুর-খড়গপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির তরফ থেকে সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা আটকে রাখা হয়েছে। মেদিনীপুর-খড়গপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির তরফ থেকে সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা আটকে রেখেছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, যে টাকা সাধারণ মানুষের সেবার জন্য ব্যয় করা উচিত, সেটা রাজনৈতিক স্বার্থে আটকে রাখা হচ্ছে কেন। সরকার একদিকে টাকা নেই বলে দাবি করছে তাহলে কেন সুদটা আটকে রাখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য করোনা সংক্রমণে নিয়ে কমিশনের নির্দেশকে সাধুবাদ জানিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন যদি নির্বাচন কমিশন বারণ করে তাহলে মিটিং মিছিল বন্ধ রাখা হবে। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল মন্তব্য করেছেন তাঁর ব্যক্তিগত মতামত যেন ২ মাস সব কিছু বন্ধ রাখা হয়। তাকে কটাক্ষ করে পাল্টা দিলীপ ঘোষের দাবি তিনি কখন কার হয়ে কথা বলছেন সেটা বোঝা মুশকিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ফেব্রুয়ারি মাসে পুরসভা ভোটের কথা বলেছে নির্বাচন কমিশন। তিন পুরসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। সেকারণে এখন থেকেই পুর এলাকা গুলিতে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। পুরসভা ভোটের তোরজোর শুরু করে দিয়েছে শাসক বিরোধী উভয় দলই। তার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে মিটিং মিছিল বন্ধ হলে পুরভোটের প্রচারেও বাধা আসবে এই আশঙ্কায় ভুগছে রাজনৈতিক দলগুলি।












Click it and Unblock the Notifications