'মুখ্যমন্ত্রীকে বারমুডা পরার কথা বলা অশ্লীল ছিল, বাংলার মানুষ মেনে নেয়নি ', বিস্ফোরক তথাগত
'মুখ্যমন্ত্রীকে বারমুডা পরার কথা বলা অশ্লীল ছিল, বাংলার মানুষ মেনে নেয়নি ', বিস্ফোরক তথাগত
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই কোন্দল লেগে রয়েছে গেরুয়া শিবিরে। প্রায় রোজই দেখা যাচ্ছে কেউ না কেউ দলের শীর্ষনেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করছেন। দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এবার সেই আসরে নামলেন অন্যতম অভিজ্ঞ বিজেপি নেতা তথাগত রায়ও। একটি বাংলা সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।

কী বললেন তথাগত?
নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলকে। তথাগত মনে করেন, যে ভাষা প্রয়োগ করে সেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন দিলীপ, তা বাংলার মানুষ মেনে নেয়নি। নন্দীগ্রামে পায়ে আঘাত লাগার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শাড়ীর বদলে বারমুডা পরতে বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তাছাড়া বহুবার তাঁকে 'সবকটাকে মেরে ফেলব', ' লাশের লাইন লাগিয়ে দেব' সহ একাধিক হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেছে। সেই কথাগুলির সূত্র ধরেই তথাগত বলেন, ' একজন মহিলাকে শাড়ির বদলে বারমুডা পরার কথা কখনোই বলা যায় না। এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত অশ্লীল, অশিষ্ট। বাংলার মানুষ এই ধরনের কথাবার্তা মেনে নেননি।'

সম্পর্কের সমীকরণ
ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই দিলীপ ঘোষ, শিবপ্রকাশ চৌহান, অরবিন্দ মেনন এবং কৈলাস বিজয়বর্গীর ভূমিকায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ তথাগত। বহুবার নিজের ট্যুইটে এঁদের নামের অদ্যাক্ষর ব্যবহার করে আক্রমণ করেছেন তাঁদের। তথাগত বহুবার ভোটে পরাজয়ের জন্য দায়ী করেছেন এই ব্যক্তিদের। এমনকি, তিনি এও অভিযোগ করেছেন যে, ভোট পরবর্তী হিংসা চলাকালীন এঁরা কর্মীদের পাশে দাঁড়াননি। কেউ ফোন তোলেননি কর্মী-সমর্থকদের।

দিলীপ কী বলছেন?
কিছুদিন আগে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে দিলীপকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, 'উনি বয়স্ক মানুষ৷ অনেকসময় ভুলভাল বলে ফেলেন। আমরা ওঁকে অতটা গুরুত্ব দিই না।'












Click it and Unblock the Notifications