পশ্চিমবঙ্গ এখন শ্রমিক রপ্তানির হাব! উদাহরণ তুলে ধরে তৃণমূলকে পাল্টা জবাব দিলীপের
পশ্চিমবঙ্গ এখন শ্রমিক রপ্তানির হাব! উদাহরণ তুলে ধরে তৃণমূলকে পাল্টা জবাব দিলীপের
রাজ্যের কতজন পরিযায়ী শ্রমিক ভিন রাজ্যে আটকে রয়েছে তার তালিকাই তৈরি করেনি রাজ্য সরকার। এমনটাই অভিযোগ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। তাঁর অভিযোগ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে হেল্পলাইন নম্বর এবং নোডাল অফিসার কেউ ফোন ধরছেন না।

ক্লাবকে টাকা দিতে পারে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য খরচ করতে পারে না
দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, লকডাউনের মধ্যে বিভিন্ন ক্লাবকে লক্ষ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন ক্লাবকে এই সরকার প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা দিয়েছে। তিনি বলেন এই সরকার ক্লাবকে টাকা দিলেও পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য টাকা খরচ করতে পারে না। প্রসঙ্গত পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ৮৫ শতাংশ খরচ রেলের আর বাকি খরচ রাজ্যের বলে জানানো হয়েছিল। যা নিয়ে তৃণমূলের তরফে সমালোচনা করা হয়। যার জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ।

ফোন ধরার কেউ নেই
পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে হেল্প লাইনের পাশাপাশি নোডাল অফিসারের কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু দিলীপ ঘোষের অভিযোগ হেল্পলাইনে ফোন ধরার কেউ নেইষ নোডাল অফিসারও ফোন ধরছেন না।

শ্রমিকদের তালিকা তৈরি না হওয়ায় প্রশ্ন
বেশ কয়েকটি রাজ্য পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরালেও রাজ্য সরকারের তরফে সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি কার্যকর করা হয়নি। বিজেপির তরফে অভিযোগ যেসব শ্রমিক বাইরের রাজ্যে থাকেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করে উঠতে পারেনি রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গ এখন শ্রমিক রপ্তানির হাব হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

টেস্ট কিট নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগের জবাব
তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে ভুল টেস্ট কিট পাঠিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, পিসিআর টেস্ট কিট নিয়ে রাজ্যে সমস্যা হয়নি। তবে চিনে তৈরি র্যাপিড টেস্ট কিট নিয়ে যে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications