রাজ্যের অবস্থা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ! একের পর এক কাজে 'বাধা'র ঘটনার উল্লেখ দিলীপ ঘোষের
পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ। এমনটাই মন্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের। এব্যাপারে তিনি সংবাদপত্রের সম্পাদককে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি নিজের দলের কাজে পুলিশি বাধার
পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ। এমনটাই মন্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের। এব্যাপারে তিনি সংবাদপত্রের সম্পাদককে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি নিজের দলের কাজে পুলিশি বাধার অভিযোগ করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের প্রেসের কোমর ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে়
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের প্রেসকে নুইয়ে দেওয়া হয়েছিল, এবার কোমর ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এব্যাপারে তিনি রাজ্যের বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্রের সম্পাদককে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি সত্য তুলে ধরতে গিয়ে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

রাজ্যের অবস্থা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ
দিলীপ ঘোষের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ। তাঁদেরকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় দলের সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে যেতে বাধা দেওয়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ। এব্যাপারে জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়কে রাস্তায় পুলিশের বাধার কথাও উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ।

জরুরি অবস্থাকে মনে করাচ্ছে
দিলীপ ঘোষ তাঁকে পূর্ব মেদিনীপুরে পুলিশের বাধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি সব্যসাচী দত্ত, শান্তনু ঠাকুর-সহ দলের একের পর এক নোতেক পুলিশি বাধার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন পুলিশের এই পদক্ষেপ ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থাকে মনে করাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী শাসন পশ্চিমবঙ্গকে জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications