Dilip Ghosh: মেদিনীপুর থেকে সরানোর নেপথ্যে কে? শুভেন্দু না সুকান্ত কার দিকে ইঙ্গিত দিলীপের
তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি ১৮টি আসন পেয়েছিল রাজ্যে। এবার তাঁকেই হার স্বীকার করতে হয়েছে। বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রে লক্ষাধিক ভোটে হেরেছেন দিলীপ ঘোষ। এই হার মেনে নিতে পারছেন না বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। শুক্রবার নিউটাউনে দিলীপ ঘোষ এই নিয়ে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ ঘোষ রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন গত ৪ বছরে তাঁকে দলের কোনও বৈঠকে ডাকা হয়নি। তাঁর মতামতও নেওয়া হয়নি কোনও কাজে। গত ১ বছর ধরে তিনি টাকা পয়সা সব কিছু নিয়ে মেদিনীপুরের জন্য কাজ করেছিলেন। তারপরেও তাঁকে মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে বর্ধমান-দু্র্গাপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি।

এর আগে দিলীপ ঘোষ হারের জন্য কাঠিবাজির অভিযোগ করেছিলেন। এবার বাংলায় বিজেপির খারাপ ফলের জন্য দলেরই একাংশের দিকে আঙুল তুললেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রথমে তিনি মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র ছাড়তে রাজি হননি। কারণ পর পর ২ বার তিনি সেই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। সেই কেন্দ্রে জিতে বঙ্গে বিেজপিকে শক্তিশালী করেছিলেন।
সূত্রের খবর একপ্রচার চাপ ৈতরি করেই দিলীপ ঘোষকে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সরিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়। স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূলের গড়ে তেমনভাবে জয়ী হতে পারেননি দিলীপ ঘোষ। এক কথায় বলতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে হারতে হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। রাজনীতির এই হার স্বীকার করে নিলেও দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
গত ১ বছর ধরে সম্পূর্ণ সময় দিয়েছিলাম মেদিনীপুরকে। তারপরেও তাঁকে সেখানে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। এমনই অভিযোগ করেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর হারের জন্য সব মিথ্যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি মেদিনীপুরে দাঁড়ালে হেরে যেতেন। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল ওখানে নাকি কুড়মি তাঁর বিরুদ্ধে। অথচ যেখানে কুড়মি ভোট বেশি সেই পুরুলিয়া আসনে বিজেপি জিতেছে।
দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে কুড়মিদের খ্যপানো হয়েছিল। আমাকে সরানোর জন্যই এটা করা হয়েছিল। এমনকী দেবশ্রী যেখানে কাজ করেছে বা মন্ত্রী ছিল সেখানেও বিজেপি জিতেছে। একজন কাউন্সিলর ওখানে লোকসভা জিতেছে। তাকে কেউ চিনতোই না। একটা গ্রামীণ পুরসভার নেতা। তাহলে দেবশ্রী ওখানে জিতত না? এর পিছনে কি আছে? এসব কেন করা হয়েছে এগুলো ভাবতে হবে। কিছু তো একটা ব্যাপার আছে। নাহলে যারা পার্টির প্রতিষ্ঠিত নেতা তাদের কি হারানোর জন্য পাঠানো হয়েছিল? লোকে হারা আসন জেতার জন্য প্ল্যানিং করে। এতো দেখছি জেতা আসন হারাবার জন্য প্ল্যানিং হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।'
অর্থাৎ নাম না করে শুভেন্দু-সুকান্তর দিকে আঙুল তুলেছেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেছেন, লোকসভায় বিজেপি ৪১ শতাংশ পেয়েছিল। ২১ এর বিধানসভায় সেটা নেমে ৩৮ শতাংশ হয়েছে। এবার লোকসভা তে ৪১ শতাংশ তো পার হওয়া উচিত ছিল। সেটা কমে গেল। আবার ৩৮ এ ফিরে এলো। এটাই তো পর্যালোচনার বিষয়। ভোট কমল কেন? এতো নেতা এসে গেছে। বলছে সংগঠন বেড়েছে। এবার তো প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় গেছেন। এতো সাংসদ বিধায়ক ছিল। তাহলে ভোট কমল কেন? ভাবার দরকার আছে।












Click it and Unblock the Notifications