শোভন-বৈশাখী তো ডাল-ভাত! পাশে বসিয়ে দিলীপের রসিকতা, বিতর্কের পারদ চড়ল আরও
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির কুলে ভিড়েছে শোভন-বৈশাখীর তরী। দিল্লিতে তাঁদের যোগদানের পর রাজ্য দফতরে সংবর্ধনার আসর বসিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ।
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির কুলে ভিড়েছে শোভন-বৈশাখীর তরী। দিল্লিতে তাঁদের যোগদানের পর রাজ্য দফতরে সংবর্ধনার আসর বসিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই সংবর্ধনায় তাল কেটে দিয়েছিলেন বৈশাখী। তাঁর নাম আমন্ত্রণ পত্রে না রাখায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তারপর ভুল শুধরে নেয় বিজেপি। এরপর এক প্রশ্নের উত্তরে শোভন-বৈশাখীকে ডাল-ভাত বললেন দিলীপ।

রসিকতায় আরও ক্ষুব্ধ
দিলীপ ঘোষ এদিন সাংবাদিক বৈঠকের প্রথমেই ভুল স্বীকার করে নেন। আমন্ত্রণপত্রে বৈশাখীর নাম না থাকায় দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি। তারপর রসিকতা করে বলেন, শোভন ও বৈশাখী তো ডাল-ভাত। এই রসিকতাতেও যে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তা তিনি বুঝিয়ে দিলেন পাল্টা মন্তব্যে।

ডাল হয়ে ভাতের সঙ্গে মিশবেন না
তিনি বলেন, কে ভাত, কে ডাল! নিজের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চলি, কার উপর নির্ভর করি না। তাই ডাল হয়ে ভাতের সঙ্গে মিশতে রাজি নই। স্পষ্ট বার্তায় তিনি বুঝিয়ে দেন, তিনি আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দেবেন না। তাই আমন্ত্রণপত্রে নাম না দেখে সরাসরি নালিশ জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। কেন্দ্রীয় নেতৃ্ত্বের ধমক খেয়ে ফের আমন্ত্রণ পত্রে বদল আনে রাজ্য বিজেপি।

যোগদানের পর বিতর্ক তুঙ্গে
উল্লেখ্য, দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ১৪ আগস্ট বিজেপিতে নাম লেখান শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে তাঁরা যোগদান করেন। তারপর রাজ্যে ফিরতেই তাঁদের সংবর্ধনার ব্যবস্থা করা হয়। রাজ্য বিজেপির তরফে সেই সংবর্ধনা ঘিরেই বিতর্ক দানা বাঁধে।












Click it and Unblock the Notifications