বিজেপিতে বেড়েই চলেছে বেসুরোর সংখ্যা, ‘শায়েস্তা’ করতে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি দিলীপের
বিজেপিতে বেড়েই চলেছে বেসুরোর সংখ্যা, ‘শায়েস্তা’ করতে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি দিলীপের
বিজেপি বাংলায় একুশের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। তারপর থেকেই দলের অন্দরে বাড়ছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ। অনেক নেতা বেসুরো হয়েছেন। জল্পনার জটাজাল বুনছেন অনেকে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বিজেপি এবার শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গড়ল। মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি বৈঠকের পর এই কমিটি গড়ার কথা জানান।

তিন সদস্যের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি বিজেপির
রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথা, বিজেপি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি হচ্ছে তিন সদস্যের। মাথায় বসছেন সাংসদ সুভাষ সরকার। বাকি দুই সদস্য হলেন বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী ও রথীন বসু। বিজেপির অন্দরে যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে, তা প্রশমিত করতেই এই কমিটি বলে মনে করা হচ্ছে। নেতাদের শৃঙ্খলপরায়ণ হওয়ার শিক্ষাই দেবে কমিটি।

বিক্ষুব্ধদের শৃঙ্খলিত করাই এখন বিজেপির উদ্দেশ্য
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বৈঠক ডাকার পরও অনেক নেতা-নেত্রী উপস্থিত হননি। এর মধ্যে অনেকেই আবার দল ছাড়তে চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা বার্তা দিয়েছেন। বহু নেতা বেসুরো গাইছেন। আর রাজ্য সভাপতির সামনেই দলে বিশৃঙ্খল আচরণ করে বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন অনেকে। তাঁদেরকে শৃঙ্খলিত করাই এখন বিজেপির উদ্দেশ্য।

সংগঠন আরও বাড়াতে হবে, শৃঙ্খলিত হওয়া জরুরি
বিজেপি একুসের যুদ্ধে হার মানলেও, এবারের পরাজয়কে তারা ইতিবাচক হিসেবেই নিতে চায়। বিজেপি মনে করে ৩ থেকে বেড়ে ৭৭ হওয়া মুখের কথা নয়। বিজেপি সবে উত্তরণের পথ দেখেছে, এই অবস্থায় বিশৃঙ্খল আচরণ করে বিপক্ষের হাত শক্ত করার কোনও অর্থ হয় না। দল শক্তিশালী হয়েছে, সংগঠন আরও বাড়াতে হবে, সেজন্যই শৃঙ্খলিত হওয়া জরুরি।

রাজ্য সরকার বিরোধী আন্দোলনের ডাক বিজেপির
মঙ্গলবার বিজেপির হেস্টিংস অফিসে বিজেপি পর্যালোচনা বৈঠক হয়। বৈঠক হয় দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে। এই বৈঠকে মুকুল রায় ও শমীক ভট্টাচার্য পারিবারিক কারণে অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানান দিলীপবাবু। এই বৈঠকে আগামীদিনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়। আগামী ২৩ জুন থেকে রাজ্যজুড়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনের ডাক দেয় বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications