‘মিসড কল’-এ সদস্য সংগ্রহে নামছে বিজেপি, ‘বিপদ’ কাটাতে পদ্ধতিতে একটু বদল
২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের পর মোদী-হাওয়ায় পাল তুলে ‘মিসড কল’-এ বাংলায় সংগঠন বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তা যে ‘অরণ্যে রোদন’ হয়েছে তা বোঝা যায় সবং উপনির্বাচনের সময়।
২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের পর মোদী-হাওয়ায় পাল তুলে 'মিসড কল'-এ বাংলায় সংগঠন বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তা যে 'অরণ্যে রোদন' হয়েছে তা বোঝা যায় সবং উপনির্বাচনের সময়। যাঁরা মিসড কলের মাধ্যমে সদস্য হয়েছিলেন, তাঁদের পাল্টা ফোন করতে গিয়েই মাথায় হাত। মিসড-কল সদস্যরা জানান, তাঁরা তৃণমূলের সক্রিয় সদস্য।

কিন্তু সেসব ভুলে ফের মিসড কলে সদস্য সংগ্রহের অভিযানে ফিরছে বিজেপি। এবার নিয়মে একটু বদল হচ্ছে। আগে মিসড কল দিতে বলা হয়েছিল একটি বিশেষ নম্বরে। যাঁরা মিসড কল দেবেন, তাঁদেরকেই সদস্য হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে। যেমন সবং নির্বাচনের সময় ভাবী সদস্য হিসেবে নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল। এবং যা জানাতে গিয়েই প্রকাশ্যে আসে 'বিপদ'!
আর এবার মিসড কল দেওয়া হবে বিজেপির তরফে। সেই মিসড কল পেয়ে কেউ যদি পাল্টা ফোন করেন, তখনই তাঁকে গেরুয়া শিবিরের সদস্য করা হবে বা তিনি গেরুয়া শিবিরের সদস্য হতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে বিজেপি সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করবে ২০১৯ নির্বাচনের আগে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মঙ্গলবার আসানসোলে দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তিনি বলেন, মিসড কলের মাধ্যমে সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হবে। তারপর তাঁদের দলে যোগদান পর্বের প্রচারও করা হবে ব্যানার ও পোস্টার সহযোগে। এছাড়াও রাজ্য বিজেপির ওয়েবসাইট থেকেও বিজেপিতে যোগদানের সুযোগ রয়েছে বলে জানান রাজ্য সভাপতি। গতবার এই অভিযানে ৪৬ লক্ষ মিসড কল দিয়েছিল বিজেপির টোল ফ্রি নম্বরে। এই সংখ্যা দেখে বিজেপি উল্লসিত ছিল। যদিও বিজেপির টার্গেট ছিল এক কোটি।
এরপর ৪৬ লক্ষ ফোনে কল করা শুরু হয়। বিশদে তথ্য জোগাড় করে সাকুল্যে ৭০ হাজার সদস্য সংগ্রহ হয়। তারপর সবং উপনির্বাচনে মিসড কল সদস্যদের ফোন করেই মাথায় হাত পড়ে বিজেপির। কেউ জানান তিনি তৃণমূলের সক্রিয় সদস্য, কেউ জানান তিনি তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে প্রচারে রয়েছেন। তবে সেসব ভুলে আবারও সক্রিয় হচ্ছে বিজেপির মিসড কল সদস্য সংগ্রহ অভিযান।












Click it and Unblock the Notifications