তৃণমূলে এখন দুই ‘জানালা’ ব্যবস্থা! ধান্দাবাজ পার্টি কটাক্ষে মমতার দলকে বিঁধলেন দিলীপ
তৃণমূল দুটো রাস্তা খুলে দিয়েছে। হয় ক্যাশ দাও, নয় কেস নাও। অর্থাৎ দু-জানালা ব্যবস্থা। এক জানালা দিয়ে ক্যাশ দাও। তা না হলে অন্য জানালা দিয়ে কেস দিয়ে দেওয়া হবে।
তৃণমূল দুটো রাস্তা খুলে দিয়েছে। হয় ক্যাশ দাও, নয় কেস নাও। অর্থাৎ দু-জানালা ব্যবস্থা। এক জানালা দিয়ে ক্যাশ দাও। তা না হলে অন্য জানালা দিয়ে কেস দিয়ে দেওয়া হবে। ঝাড়গ্রামের বিজেপির একটি সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তৃণমূলকে ধান্দাবাজ পার্টি বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ক্যাশ নিলে ঠিক আছে। তা না হলে কেস দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দেবে। তাই এমন দলের কাছ থেকে সাবধান। তিনি এদিনের মঞ্চ থেকে মানস ভুঁইয়াকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, মানস ভুঁইয়া কী বলছেন, আজ আর মেদিনীপুরের মানুষ বিশ্বাস করে না।
তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় মানুস ভুঁইয়া বলেছিলেন, কৃষকদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কিছুই করেননি। তার পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, মানস ভুঁইয়া একটা কেস খেয়ে দিদির আঁচলের তলায় ঢুকে গিয়েছেন। তাই আজকাল তাঁর কথা আর কেউ বিশ্বাস করে না। আদ আর মেদিনীপুরে তৃণমূল বা কংগ্রেসের কোনও নেতা নেই।
দিলীপ ঘোষ বলেন, মেদিনীপুরে ভারতী ঘোষ একমাত্র নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি এখন হারিয়ে গিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস তাই অভিভাবক শূন্য। কংগ্রেসও নিঃস্ব। সিপিএমও মুছে গিয়েছে। বুথ থেকে জেলা পর্যন্ত শুধু বিজেপি নেতাদের ভিড়। পদ্মফুল ছাড়া আর কোনও প্রতীকের অস্তিত্ব নেই মেদিনীপুরে।
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একহাত নেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, গঙ্গার এপারে এসেও শান্তি নেই দিদির মনে। রাইটার্স বিল্ডিং ছেড়ে নবান্নে এসে খারাপ সময় কাটাতে পারছেন না দিদি। ২০২১-এ যখন বিধানসভার ভোট হবে, তখন কোথাও আর ঘাসফুল দেখা যাবে না। তখন পুরো মন্ত্রিসভা পাল্টে দেব।












Click it and Unblock the Notifications