তৃণমূলের উপর ভরসা মিমের, কিন্তু বাংলার মানুষের নেই! দিলীপ ঘোষ দিলেন পাল্টা
মিম মনে করছে তাদের কাজটা তৃণমূল করে দেবে। তৃণমূলও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে। তাই মিম তৃণমূলের হাত ধরেছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পাল্টা দিলেন তৃণমূলকে।
মিম মনে করছে তাদের কাজটা তৃণমূল কংগ্রেস করে দেবে। তৃণমূলও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে। তাই মিম তৃণমূলের হাত ধরেছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পাল্টা দিলেন তৃণমূলকে। মিমের নেতাদের তৃণমূল যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা আদতে মিম ও তৃণমূল জোট। কিন্তু বাংলার মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন, পরিবর্তন আসছেই।

বাংলার মানুষের ভরসা নেই তৃণমূলের উপর
দিলীপ ঘোষ বলেন, মিম এখন তৃণমূলকে ভরসা করছে, যে তাঁরা বিজেপিকে রুখে দিতে পারবে। কিন্তু বাংলার মানুষের ভরসা নেই তৃণমূলের উপর। তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। ২০২১-এই সেই পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তন রোখার সাধ্যি কারও নেই।

মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজন-কটাক্ষের জবাব দিলীপের
সোমবার মেদিনীপুর শহরের কেরানিতলায় হিন্দু যুব বাহিনীর জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করতে এসে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আক্রমণ শানান তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজন-কটাক্ষের জবাব দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁকো বোধহয় কেউ ভাত খেতে দেয়নি। অমিত শাহ বাঁকুড়াতে এসে খাটিয়াতে বসেছিলেন দেখেই মুখ্যমন্ত্রীও খাটিয়ায় বসেছেন। দিনকয়েক বাদে তিনি মাটিতে বসবেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাকা নিয়ে খোঁচা দিলীপের
দিলীপ ঘোষের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন "কেউ টাকা দিতে এলে নিয়ে নাও, ভোট দিওনা"। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় টাকা টাকা করেন। তাই টাকার কথাই বলেছেন তিনি। অথচ কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক সম্মাননিধি প্রকল্পের ৬ হাজার টাকা তিনি মানুষকে পেতে দিচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পের ৫ লক্ষ টাকার সুবিধা পেতে দিচ্ছেন না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি চান না বাংলার মানুষ সুস্থ থাকুন?
প্ৰধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর করোনা টিকা সংক্রান্ত বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে করোনার টিকার জন্য। সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজে টিকাকরণের কথা থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম পাঠাতে পারেননি। সারা দেশের মানুষ টিকা পাবে কিন্তু বাংলার মানুষ পাবেন না। তাঁদের জীবনের ঝুঁকি কীসের জন্য, কার জন্য? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি চান না বাংলার মানুষ সুস্থ থাকুন?

কন্যা কোথায় উনি এখন ঠাকুমা হয়ে গিয়েছেন
বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খান টাইটেলড থাকার জন্যই বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে বাছা হয়েছে শাহরুখ খানকে। অথচ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর 'অগ্নিকন্যা' ইমেজ নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তিনি বলেন, কন্যা কোথায় উনি এখন ঠাকুমা হয়ে গিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications