দিলীপের গোর্খাল্যান্ড বার্তায় ধাক্কা পাহাড়ে জোট পরিকল্পনায়! কী অবস্থান বিজেপির জোটসঙ্গীদের
সম্প্রতি পাহাড়ে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ গোর্খাল্যান্ড নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তাতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মাথায় হাত পড়েছে পাহাড়ের দলগুলির। যে সমস্ত পাহাড়ের দল বিজেপিকে নিয়ে পাহাড়ে জোটের স্বপ্ন দেখছিল, তারা বেশ ধাক্কা খেয়েছে দিলীপ-বার্তায়।
দিলীপ ঘোষ পাহাড়ে গিয়ে একপ্রকার বুঝিয়েই দিয়েছেন পৃথক গোর্খাল্যান্ডের পক্ষে নয় বিজেপি। তারা বঙ্গভঙ্গ চায় না। চায় না উত্তরবঙ্গ আলাদা রাজ্য হোক। আর বিজেপির এই অবস্থানে ক্ষুব্ধ তাদের জোটসঙ্গী জিএনএলএফ। এমনকী হামরো পার্টিও সমালোচনা করেছে বিজেপি নেতার।

এবার ২০ বছর পর পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সেই ভোটে পাহাড়ের দলগুলি একই মঞ্চে এসে রাজ্যের শাসকদল ও বিজিপিএমের মোকাবিলা করতে চায়। সে জন্য তারা বিজেপির নেতৃত্বে এক জোট হতে বদ্ধপরিকর। আর এই জোটের ইউএসপি হবে গোর্খাল্যান্ড ইস্যু।
সম্প্রতি গোর্খাল্যান্ড ইস্যুকে সামনে রেখে পাহাড়ের সমস্ত দলকে একই মঞ্চে এনেছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা প্রধান বিমল গুরুং। এই মঞ্চ থেকে পাহাড়ি দলগুলির মধ্যে ছিল না শুধু ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা বা বিজিপিএম। তারা তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে চলছে।
এই অবস্থায় পাহাড়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে আগ্রহী ছিলেন পাহাড়ের দলগুলি। সেই সমীকরণে বিজেপিকে তারা মধ্যমণি করে এগোচ্ছিল। সম্প্রতি দিল্লি থেকে ফেরার পর বিমল গুরুং আলিপুরদুয়ারে বিজেপির কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জন বার্লার সঙ্গে দেখা করেন। তারপরই অন্য খাতে বইতে শুরু করে পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ।

কিন্তু বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ কালিম্পং সফরে গিয়ে জল ঢেলে দেল পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলির পরিকল্পনায়। যার জেরে শনিবার পাহাড়জুড়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের বিরোধিতায় পোস্টার পড়ে। গোর্যাাহল্যান্ডের দাবিতে সরব হন জিএনবএলএফ ও হামরো পার্টির নেতারা।
গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং গোর্খাল্যান্ড ইস্যুকে খাঁড়া করে পাহাড়ে আবার প্রাসঙ্গিক হতে উঠে পড়ে লেগেছেন। এমনকী বিনয় তামাং গোর্খাল্যান্ড ইস্যুকে সামনে রেখেই তৃণমূলের সংস্রব ছেড়েছেন। তারপর জিএনএলএফ ও হামরো পার্টি তো গোর্খাল্যান্ড দাবিতে সিদ্ধহস্ত। এই অবস্থায় বিজেপির সমর্থন পেতে তারা ব্যর্থ।

পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতেই তারা ঘায়েল করতে চেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজিপিএম জোটকে। কিন্তু দিলীপ ঘোষের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী মন্তব্য তাদের পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। দিলীপ জানিয়ে দেন, বিজেপি কখনই পৃথক উত্তরবঙ্গ চায় না। ফলে পৃথক গোর্খাল্যান্ডেও তাঁদের সমর্থমন নেই।
এর ফলে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে পাহাড়ের বিজেপি-বান্ধব দলগুলি নতুন যুক্তি খাঁড়া করছে। তাঁদের আশা, বঙ্গ বিজেপি তাঁদের নিরাশ করলেও, আমরা আশাবাদী যে কেন্দ্র সরকার দিলীপ ঘোষের মতের সঙ্গে সহমত হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁদের সঙ্গেই থাকবে। এখন থেকে তারা ২০২৪-এর জুজু দ্যাখানো শুরু করেছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন












Click it and Unblock the Notifications