শোভন-বৈশাখীর কোনও সম্পর্কই তৈরি হয়নি বিজেপির সঙ্গে! বৈশাখীর পর দিলীপ-ভাষ্যে জল্পনা
তৃণমূলে কুল হারিয়ে শোভন-বৈশাখী গিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু সেখানেও বিতর্কের পর বিতর্ক। দলের যোগ দেওয়ার পর থেকে কোনও সম্পর্কই কার্যত তৈরি হয়নি বিজেপির সঙ্গে।
তৃণমূল কংগ্রেসে কুল হারিয়ে শোভন-বৈশাখী গিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু সেখানেও বিতর্কের পর বিতর্ক। দলের যোগ দেওয়ার পর থেকে কোনও সম্পর্কই কার্যত তৈরি হয়নি বিজেপির সঙ্গে। এই অবস্থায় ভাইফোঁটায় দিদির বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর তৃণমূলে ফেরা নিয়ে জল্পনা চলছে। বৈশাখীর পর সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ।

বৈশাখীর মন্তব্যের পর পাল্টা দিলীপের
বিজেপিতে তাঁদের অবস্থান জানিয়ে বৈশাখীর মন্তব্যের পর দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রথম দিন থেকেই বিজেপির সঙ্গে বিশেষ ঘনিষ্ঠতা ছিল না। একেবারেই নিজস্ব সমস্যা। প্রত্যেকেরই তা থাকে। কেউ তো আর বাচ্চা ছেলে নয়। তাই তাঁদের ললিপপ দিয়েও নিয়ে আসিনি আমরা। সবাই আমাদের কাছে সম্মানীয়। যিনি থাকতে চাইবেন, তিনি থাকবেন।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরার পদক্ষেপ
দিলীপের এই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনার পারদ চড়েছে আবার। তাহেলি কি শোভন-বৈশাখী বিজেপি ছেড়ে সত্যিই তৃণমূলে ফিরছেন! ভাইফোঁটায় দিদির বাড়ি, নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়া, তারপর পার্থর বাড়ি গিয়ে দেড় ঘণ্টার বৈঠক, চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ- এসব থেকে শোভন-বৈশাখীর ঘরওয়াপসির সম্ভাবনাই বাড়ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিজেপিকে বার্তা বৈশাখীর
শোভন-বৈশাখী উভয়েই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগও রাখছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে। শোভন মুখ না খুললেও বৈশাখীর কথায় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে অনেক কিছুই। তিনি প্রকাশ্যেই বলছেন, বিজেপিতে আমাদের মতো স্বল্প শিক্ষিত মানুষের দরকার নেই।

বৈশাখী ভাষ্যে জল্পনা তুঙ্গে
বৈশাখী বলেন, শোভনবাবু বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। উনি চেয়েছিলেন আমিও সক্রিয় রাজনীতিতে থাকি। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই পদে পদে অপমানিত হচ্ছি। বিজেপির সঙ্গে এই মুহূ্র্তে আমাদের কোনও যোগ নেই। তবে এই কথা বলার পরদিনই তাঁরা উভয়েই ফের বিজেপির পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেননকে দেখতে যান।

বিজেপি ছাড়তে পারলে বাঁচেন!
তবে অরবিন্দ মেননকে দেখতে গেলেও তাঁরা যে বিজেপিতে মন পেতে থাকবেন এমন কিছু ঘটেনি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বরং এখনও বিজেপির রাজ্য সভাপতির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক এমন পর্যায়ে যে শোভন-বৈশাখী বিজেপি ছাড়তে পারলে বাঁচেন, এমনটাই গতিপ্রকৃতি বোঝা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications