বুথ থেকেই এজেন্ট অপহরণ! কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ দিলীপের
উলুবেড়িয়া কেন্দ্রের একটি বুথ বিজেপির এক এজেন্টকে অপহরণ করা হয়। তারপর সেই এজেন্ট ভোট শেষ হওয়ার পর ফিরে আসে। এই একটি ঘটনাই প্রমাণ করে দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কী ধরনের সন্ত্রাস হয়েছে।
রাজ্যে ভোটের নামে প্রহসন চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে এই শাসক দল ভোট লুঠ করেছে বলে অভিযোগ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন, উলুবেড়িয়া কেন্দ্রের একটি বুথ বিজেপির এক এজেন্টকে অপহরণ করা হয়। তারপর সেই এজেন্ট ভোট শেষ হওয়ার পর ফিরে আসে। এই একটি ঘটনাই প্রমাণ করে দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কী ধরনের সন্ত্রাস হয়েছে।

সোমবার হাসপাতাল থেকে ছুটি পান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনই বাড়ি ফিরে সাংবাদিক সম্মেলন করে দিলীপবাবু জানান, আমরা উপনির্বাচনের দায়িত্ব থাকা পুলিশ পর্যবেক্ষককে বিষয়টি জানিয়েছি। উলুবেড়িয়া উত্তরের ২০০ নম্বর বুথে এই অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। তাঁর আরও অভিযোগ, এই লোকসভা কেন্দ্রের উদয়নারায়ণপুরে সব বুথের দখল নিয়েছে তৃণমূল।
পুলিশের সামনেই শাসকদলের গুন্ডাবাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। পুলিশ কাঠের পুতুল হয়েছিল। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কোনও কাজেই লাগায়নি রাজ্য প্রশাসন। আমরা আগেই অভিযোগ করেছিলাম, কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন রাজ্যের তত্ত্বাবধানে থাকবে? কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচন কমিশনারের নিযুক্ত পর্যবেক্ষকের অধীনে থাকাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু এ রাজ্যে তা হয় না। তাই বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব নয়। বাম আমলে যা হয়েছিল, আজ তৃণমূলের আমলেও সেই একই ঘটনা ঘটছে।
এদিন পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুধু উলুবেড়িয়া নয়, নোয়াপাড়াতেও ব্যাপক সন্ত্রাস চলেছে। বুথ দখল হয়েছে। এজেন্টদের ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পুলিশ বিরোধীদের অভিযোগের কোনও গুরুত্ব দেয়নি। এরপরই বিজেপির পক্ষ থেকে পুনর্নির্বাচনের দাবি করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications